ভোর ৬টা। কক্সবাজার শহরের উত্তর হাজীপাড়ার একটি নির্মাণাধীন ভবনে ডিএনসির অভিযান। একটি বক্স খাট খুলতেই বেরিয়ে এলো ৯০ হাজার ইয়াবা। এরপর পাওয়া গেল নগদ ৩৫ লাখ ২০ হাজার ৮০০ টাকা। মুহূর্তেই সাধারণ একটি অভিযান হয়ে উঠল চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
আটক হন টেকনাফের পশ্চিম পানখালী এলাকার আশিক মোমেন মেহেদী (২৩)। সঙ্গে তার স্ত্রী সাদিয়া ফারহানা (২৩) এবং ১৬ বছর বয়সী সায়মন সরোয়ারকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
কিন্তু এরপরই সামনে আসে আরও চমকপ্রদ তথ্য। যে নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইয়াবা ও টাকা উদ্ধার হয়েছে, সেটির মালিক পুলিশ কর্মকর্তা শহীদ। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এসআই। আর আটক মেহেদীর আপন ভাই রেজাউলও পুলিশে চাকরি করেন,তিনি উখিয়ার কুতুপালংয়ে এপিবিএনের কনস্টেবল।
পুলিশ কর্মকর্তা শহীদের দাবি, ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই প্রায় ৮ বছর ধরে তার শ্যালক মেহেদী সেখানে কেয়ারটেকার হিসেবে থাকতেন। একপর্যায়ে তাকে ভাড়াটিয়াও দাবি করেন তিনি।
এখন প্রশ্ন,একজন পুলিশ কর্মকর্তার ভবনে দীর্ঘদিন ধরে থাকা শ্যালকের ঘর থেকে ৯০ হাজার ইয়াবা ও ৩৫ লাখ টাকা কীভাবে এলো? এর নেপথ্যে আসলে কী..!শহীদ ও রেজাউলের যোগসূত্রেই কি রহস্য লুকিয়ে আছে।