মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), জেলা কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গার একটি বিশেষ টিম জেলার বিভিন্ন এলাকায় সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। রবিবার (৩০ আগস্ট ২০২৬) দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে ৪ এ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ ৪ জন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
আজ রবিবার ৩০ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ সকাল ১০:০০ টা থেকে সন্ধ্যা ১৯:০০ ঘটিকা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর থানার বিভিন্ন এলাকাধীন বিভিন্ন পয়েন্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), জেলা কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গা।
অভিযানে আটককৃত ৪ জন আসামির বিস্তারিত পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো: উজ্জ্বল (৫০): পিতা- মৃত আমিনুল ইসলাম, মাতা- ছামছুন্নহার, সাং- মাঝেরপাড়া, থানা ও জেলা- চুয়াডাঙ্গা।
মোহাম্মদ আরজ আলী (৪৫): পিতা- মৃত কারু মিয়া, সাং- দৌলতদিয়াড় চুনুরি পাড়া, থানা ও জেলা- চুয়াডাঙ্গা। আত্তাব (৫৫): পিতা- মৃত ইউনুস আলী মুন্সি, সাং- মসজিদ পাড়া, থানা ও জেলা- চুয়াডাঙ্গা। মোহাম্মদ সোহেল উদ্দিন (৫১): পিতা- মৃত ইসলাম উদ্দিন, সাং- মাঝেরপাড়া, থানা ও জেলা- চুয়াডাঙ্গা।
অভিযানকালে গ্রেফতারকৃত ১, ২, ৩ ও ৪ নং আসামিদের শরীর তল্লাশি করে মোট ০৪ এ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়, যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তালিকাভুক্ত মাদকদ্রব্য হিসেবে পরিচিত।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম আশিস মোমতাজ ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত রায় প্রদান করেন:
১নং আসামী উজ্জ্বল: ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড। ২নং আসামী মো. আরজ আলী: ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড। ৩নং আসামী আত্তাব: ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড। ৪নং আসামী মো. সোহেল উদ্দিন: ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড।
চুয়াডাঙ্গায় দিন দিন এ ধরনের নেশাজাতীয় ইনজেকশন ও মাদকের অপব্যবহার রোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এমন তদারকি ও অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। ডিএনসি, চুয়াডাঙ্গা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।