কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রামদিয়া গ্রামে সরেজমিন গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়।
সুপ্রিয়া ওই গ্রামের গার্মেন্টস শ্রমিক বিদ্যুৎ কুমার সাহার স্ত্রী। সুপ্রিয়া জানান, স্বামী ঢাকায় থাকেন। বড় ছেলে মাগুরায় কাজ করে। ছোট ছেলে শান্তর (৫) সঙ্গে বাড়িতে থাকেন তিনি। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পান্টি বাজারে ওষুধ ও সংসারের মালামাল কিনতে গিয়েছিলেন। সকাল ১১টার দিকে বাড়ি ফিরে দেখেন দরজার খিল ভাঙা। আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আলমারির ড্রয়ারে থাকা দুইটি স্বর্ণের চেইন, তিনটি স্বর্ণের আংটি, একজোড়া স্বর্ণের দুল, ৬টি রুপার অলংকার, নগদ ১০ হাজার টাকা নাই। তার ভাষ্য, দিনের বেলায় তার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় চার লাখ ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে কুমারখালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। সুপ্রিয়ার স্বামী বিদ্যুৎ কুমার সাহা বলেন, মাসখানেক ধরে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা খুব অত্যাচার করতেছে। কিছুদিন আগে মুরগিসহ ঘর নিয়ে গেছে। রাতের আঁধারে নতুন ঘরের দরজার কাঠ নিয়ে গেছে। এবার আবার দিনের বেলায় সব চুরি হয়ে গেছে। কে বা কারা এগুলো করতেছে তা জানা নেই তার। তিনি দোষীদের শাস্তি চান। প্রতিবেশী তিতিকা রানী বলেন, ‘ও (সুপ্রিয়া) অন্যান্য দিন বাজারে যাওয়ার সময় বলে যায়। কিন্তু সেদিন আর কাউকে কিছু বলেনি।
পরে বাজার থেকে এসে দেখে ঘরে টাকা পয়সা, সোনা, রুপা কিছুই নেই। সেই তখন থেকে কাঁদা ধরেছে। এখনও কাঁদেই যাচ্ছে।’ তার ভাষ্য, প্রায়ই সুপ্রিয়ার বাড়িতে অত্যাচার হয়। তবে কারা করে তা জানা যায়নি। গ্রামের দবির উদ্দিন শেখের ছেলে স্বপন শেখ বলেন, দিনের বেলায় এমন চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত সবাই। দ্রুত চোর ধরে বিচারের দাবি জানান তিনি। কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, শুক্রবার ফাঁকা বাড়িতে নগদ টাকা ও গহনা চুরির ঘটনায় শনিবার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।