মোঃ রাইসুল ইসলাম রাজু দর্শনা চুয়াডাঙ্গা।
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা শ্যামপুরে হৃদয়বিদারক ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সৌদি আরবে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মোঃ সফর উদ্দীন (৪৫)। তার পিতা মৃত শওকত মোল্লা। সফর উদ্দীনের মৃত্যুর খবর শুনে তার স্ত্রীও ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি নিউরোলজিস্ট হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে তিনিও ইন্তেকাল করেন।
মরহুম সফর উদ্দীনের মরদেহ বর্তমানে সৌদি আরবে রয়েছে। অপরদিকে তার স্ত্রী মোছাঃ ববিতা খাতুন(৩৫) একই গ্রামের বাসিন্দা, পিতা মৃত আমিনুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দর্শনা পৌর শাখার রোকন ছিলেন।
আজ ২১ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার সকাল ১০টায় দর্শনা শ্যামপুর কবরস্থানে মরহুমা ববিতা খাতুনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
এদিকে সফর উদ্দীনের মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। অন্যদিকে তার বড় ভাই মোঃ শরিফ উদ্দীন—দর্শনা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র, সাংবাদিক এবং দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক—ভাই ও ভাবির পরপর মৃত্যুতে খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
স্বামী-স্ত্রীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
মরহুম মোঃ সফর উদ্দীন ও মরহুমা মোছাঃ ববিতা খাতুনের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন স্বজনরা।
মৃত্যুকালে তারা ১৮ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৯ বছর বয়সী একটি মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। অল্প বয়সেই বাবা-মাকে হারিয়ে সন্তান দুটির জীবনে নেমে এসেছে অপূরণীয় শূন্যতা।
মহান আল্লাহ মরহুম মোঃ সফর উদ্দীন ও মরহুমা মোছাঃ ববিতা খাতুনের রুহের মাগফিরাত করুন, তাদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং তাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলে ও ৯ বছর বয়সী মেয়েসহ শোকসন্তপ্ত পরিবারের সবাইকে এই কঠিন শোক সইবার তৌফিক দান করুন। আমিন।