ঢাকা, সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet কুষ্টিয়ার গড়াই নদীতে জেলের মৃত্যু Headline Bullet ​বাংলাদেশ সচিবালয়ের সামনে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত Headline Bullet কক্সবাজার বাস টার্মিনালে ৬ হাজার ইয়াবাসহ উখিয়ার যুবক আটক Headline Bullet ঝিনাইদহে মাদকসেবি স্বামী-স্ত্রী আটক, ডোপ টেস্ট শেষে ৮ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড Headline Bullet গাড়িচালক থেকে অঘোষিত ব্যক্তিগত গাড়িচালক এপিএস ফরহাদ!অনৈতিক সম্পর্ক ও প্রতারণার গুঞ্জন Headline Bullet ইবি শিক্ষিকা রুনা হত্যার নতুন গল্প Headline Bullet যৌতুকের মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Headline Bullet কুষ্টিয়ার বিন্দুমাসী মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Headline Bullet দীর্ঘদিন বিরত থাকার পরে আবারো মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শান্তিনগরে Headline Bullet কেরু চিনিকলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মুনাফা, প্রশংসায় ভাসছেন এমডি রাব্বিক হাসান

ইবি শিক্ষিকা রুনা হত্যার নতুন গল্প

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যা মামলা নতুন মোড় নিয়েছে। হত্যার পর কর্মচারী ফজলুর রহমান ভেতর থেকে আবদ্ধ কক্ষে হাতেনাতে ধরা পড়ে খুনের দায় স্বীকার করলেও পরে কারাগারে গিয়ে নিজের অবস্থান পুরোপুরি বদলে ফেলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, দুই মুখোশধারী ব্যক্তি ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।তবে তদন্তে পাওয়া তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ, ঘটনাস্থলের আলামত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার সঙ্গে তার এ দাবির কোনো মিল পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, চলতি বছরের ৪ মার্চ সমাজকল্যাণ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে কর্মচারী ফজলুর রহমানের ছুরিকাঘাতে নিহত হন বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা। ঘটনার পর ফজলুর নিজের গলায়ও ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান ইবি থানায় ফজলুর রহমানসহ চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, বিভাগের সাবেক উপ-রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজলুরকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ

।সুস্থ হওয়ার পর গত ১ এপ্রিল তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অপর তিন আসামি এখনও পলাতক রয়েছে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজলুর লিখিতভাবে হত্যার দায় স্বীকার করেন। ওই লিখিত বক্তব্যে তিনি বদলিজনিত ক্ষোভ ও হতাশা থেকে শিক্ষিকা রুনাকে হত্যা করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে কারাগারে যাওয়ার পর তিনি সেই বক্তব্য থেকে সরে আসেন এবং আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানান।


     এই বিভাগের আরো খবর