কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাধা দেওয়া, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তাঁর সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত ১২টার পর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেনের করা মামলাটি নথিভুক্ত করে পুলিশ। এতে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম জিলালসহ দুজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি হলেন, সদকী ইউনিয়নের মালিয়াট গ্রামের হাকিম প্রামাণিকের ছেলে ও ভুসিমালের ব্যবসায়ী জিলাল প্রামাণিক (৪৭)।বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম জিলাল কুমারখালী ছালপট্টি বাজার মালিক সমিতির সভাপতি পদেও আছেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচ-সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুমারখালী স্টেশনবাজার-সংলগ্ন ছালপট্টি বাজারে অভিযানে যান জেলা প্রশাসনের একটি দল। এ সময় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পশুখাদ্য রাখার অপরাধে খোকন ট্রেডার্সের মালিক সাইদুল ইসলাম খোকনকে ৪ হাজার টাকা, প্রণব ট্রেডার্সের মালিক প্রণব কুমার ঘোষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।আদালত পরিচালনায় ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিলকদ হোসেন। তাঁকে সহায়তায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন ও কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনের সদস্যরা। এ সময় আসামিরা সংঘবদ্ধ হয়ে আদালত পরিচালনায় বাধা দেন। তারা তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা শুরুতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে কিলঘুষি মেরে সটকে পড়েন। কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। গভীর তদন্ত চলছে। পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।