ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet দর্শনায় বৈরী আবহাওয়া পেরিয়ে শুরু হলো চিরন্তন বৃক্ষমেলা ২০২৬: প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শরীফুদ্দিন শরীফ Headline Bullet সাভারে চোর সন্দেহে গণপিটুনি Headline Bullet নড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষনের পরে হত্যা Headline Bullet কুষ্টিয়ায় চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৯ Headline Bullet যশোরের শার্শায় অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে সুন্দরী যুবতী আটক Headline Bullet চট্টগ্রামে দম্পতির বিলাসবহুল জিপে লুকানো ছিল ৬০ হাজার ইয়াবা Headline Bullet গোপালগঞ্জে আবাসিক হোটেলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান Headline Bullet কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ভারতীয় সিমান্তে মাদক উদ্ধার Headline Bullet সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও ভাইরাল Headline Bullet কুষ্টিয়ায়  ৪ দিন ছাত্রাবাসে আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে, গ্রেপ্তার ১

কুষ্টিয়ায় আরও এক জমি জালিয়াতের হোতা হাজি মফিজুল ইসলাম

কুষ্টিয়ায় আরও এক জমি জালিয়াতের সন্ধান মিলেছে। শহরের হরিশংকরপুর ও হাউজিংসহ আশপাশ এলাকায় সরকারি জমি ছাড়াও ব্যক্তিগত এবং ওয়াকফ সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে হাজি মফিজুল ইসলাম নামে এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে।
মফিজুল জমি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। তিনি শহরের বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি পানির দরে কিনে তা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চড়া দামে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। প্রভাবশালী হওয়ায় জমি মালিকরাও ভয়ে মুখ খুলতে ভয় পান।
হাজি মফিজুল ইসলামের বাড়ি শহরের হরিশংকরপুর এলাকায়। বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলেও আগে জামায়াতের রাজনীতি করতেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। কারণ ৯০ সালের পর জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী মিলপাড়ায় ওয়াজ করতে এসে তাদের বাড়িতে রাতে খাওয়া-দাওয়া করেন এবং তার বাড়িতেই রাত্রিযাপন করেন।
বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া পৌর এলাকার ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি জমির ব্যবসা করেন। তার পার্টনার সদ্য সাবেক শহর যুবলীগ আহবায়ক আশরাফুজ্জামান সুজন। এদের কাজ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ত্র“টি ও বিরোধপূর্ণ জমি খুঁজে বেরা করা।
এছাড়া দামি সরকারি ও অর্পিত সম্পত্তি পড়ে আছে সেসব খুঁজে বের করে চক্রের সদস্যদের দিয়ে মামলা করে তার মালিক দেখিয়ে তা পরে বিক্রি করে দেয়া হয়। অনুসন্ধানে এমন বেশি কিছু জমির হদিস মিলেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পিডব্লিউডি অফিসের কর্মচারী গোলাম মোস্তাফা ও তার ভাগ্নে পান্না শহরের হাউজিং এলাকায় ৮ শতক জমি ক্রয় করেন। সেই জমি হাজি মফিজুল তার লোকজনকে দিয়ে মাটি ভরাট করে দখল করে নিয়েছেন।
গোলাম মোস্তাফা বলেন, ‘আমার কেনা জমিতে হাজি মফিজুলের লোকজন মাটি ভরাট করে দখল নিয়েছে। আমার সাইনবোর্ড ফেলে দিয়ে দুই নারীর নামে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে বিচার দিলে তিনি কিছুই করেননি।’
লাহিনী বটতলা এলাকায় মেডিকেল কলেজের পূর্ব দিকে একটি ওয়াকফ সম্পত্তি ছিল। মূল মালিককে না জানিয়ে প্রতারণা করে এই জমিকে একজনের ব্যক্তিগত সম্পত্তি দেখিয়ে হাজি মফিজুল ইসলাম পানির দরে তা কিনে নেন। পরে প্লট করে তা বিক্রি করেন চড়া দামে। সামনের দিকের প্লট বিক্রি করেন প্রতিকাঠা ১৫ থেকে ১৬ লাখ আর পিছনের দিকে বিক্রি করেন ১২ লাখে। এর মধ্যে একটি প্লট ক্রয় করেন ডা. আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী।
কথা হলে আশরাফুল ইসলাম বলে, মফিজুল সাহেবের কাছ থেকে দেড় বছর আগে একটি প্লট তারা কিনেছেন। তবে আগের মালিক কে তারা তা জানেন না। কাগজপত্র দেখেই তারা কিনেছেন। কোন ঝামেলার কথা আমি শুনিনি।’
একই ভাবে মফিজুল ও সুজনসহ চক্রের ১৮ জন মিলে শহরের কালিশংকপুরের মার্কাজ মসজিদের পাশে এম এম এ ওয়াদুদ নামে এক ব্যক্তির দামি জমি প্লট আকারে বিক্রির জন্য চেষ্টা করছিলেন। সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার সব আয়োজন শেষ করে


     এই বিভাগের আরো খবর