ঢাকা, সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: বিস্কুট ফ্যাক্টরি পুড়ে ছাই, নগদ টাকাসহ প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি Headline Bullet মাদক নির্মূল, আইনি সুরক্ষা ও জনকল্যাণ: করুলগাছি ইউনিয়নে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উদ্যোগে বিশেষ জনসেবা সমাবেশ অনুষ্ঠিত” Headline Bullet চাচার লালসার স্বীকার ভাতিজি Headline Bullet ফেসবুকে তান্ত্রিক সেজে রাসায়নিক কৌশলে ভয় দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্নসাৎ, গ্রেফতার ৩, দুই জনের স্বীকারোক্তি Headline Bullet বগুড়ার শিবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানতালিকাভুক্ত ২ জন আসামীকে গ্রেফতারবগুড়ার শিবগঞ্জে ডিএনসির অভিযান Headline Bullet নাটোরে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার Headline Bullet কুষ্টিয়ায় ছেলের হাতে বাবা নিহত Headline Bullet পাংশায় ৮০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরন Headline Bullet চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় সুলতানপুর বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ

ময়মনসিংহে কাকিকে নিয়ে ভাতিজা অজানার উদ্দেশ্যে

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় পরকীয়ার অভিযোগে নিজের স্ত্রী ও প্রতিবেশী এক ভাতিজার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক স্বামী। অভিযোগে স্বামী মনি চন্দ্র দে (৩২) দাবি করেছেন, তার স্ত্রী ঝর্ণা রানী দে ওরফে মায়া (২৫)-এর সঙ্গে ৭ বছরের সংসার। দাম্পত্য জীবনে তাদের ছয় বছরের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। ছেলেকে রেখেই দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করেন ঝর্ণা রানী দে। একপর্যায়ে চলতি মাসের ১ জুলাই  নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী রুদ্র চন্দ্র দে(২৭) ভাতিজার হাত ধরে  বাড়ি ছেড়ে চলে যান।ঘটানাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের বৃ-দেবস্থান গ্রামে। এ নিয়ে ঝর্ণা রানীর দে ওরফে মায়ার স্বামী বাদী হয়ে গত ১৫ জুলাই ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি স্ত্রী ঝর্ণা রানী দে এবং একই এলাকার প্রতিবেশী ভাতিজা রুদ্র চন্দ্র দে-কে অভিযুক্ত করেছেন।লিখিত অভিযোগে মনি চন্দ্র দে উল্লেখ করেন, জীবিকার তাগিদে হোটেল কর্মচারী হিসেবে কাজ করার সুবাদে দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে থাকতেন। এ সুযোগে তার স্ত্রী অভিযুক্ত রুদ্র চন্দ্র দের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের পক্ষ থেকে স্ত্রীকে সতর্ক করা হলেও তিনি সম্পর্ক থেকে সরে আসেননি। পরবর্তীতে চলতি মাসের ১ জুলাই অভিযুক্ত রুদ্র চন্দ্র দে কৌশলে তার স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন অভিযোগকারী। এ সময় ঘরের আলমারিতে থাকা প্রায় দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার এবং নগদ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।মনি চন্দ্র দে আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তদের পরিবারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সমাধান হয়নি। বরং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।এ বিষয়ে রাজিবপুর ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জনি দে বলেন, রুদ্র চন্দ্র দে একজন নারি কেলেঙ্কারি এবং তার একটি লাঠিয়াল বাহিনী আছে। সে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য৷ প্রতিবেশী কাকীর সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য রুদ্রের পরকীয়ার  ঘটনাটি সত্য। আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।


     এই বিভাগের আরো খবর