ঢাকা, শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত নায়াব ইউসুফ Headline Bullet ঝিনাইদহ মাদকের গডফাদার গ্রেফতার Headline Bullet কুষ্টিয়া মিরপুর থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার এক Headline Bullet ভারতকে পুশইন বন্ধের আহবান Headline Bullet ভাঙ্গায় মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা প্রধানদের সঙ্গে সাংসদ বাবুলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Headline Bullet কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রধান দুই আসামি একজন কারাগারে একজন সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর Headline Bullet কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অস্ত্র উদ্ধার Headline Bullet মেসিই সর্বকালের সেরা প্লেয়ার, রোনাল্ডো Headline Bullet টঙ্গীতে হানিট্রাপে দুই যুবক Headline Bullet চুয়াডাঙ্গা দর্শনা থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযানে ৩০ (ত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। গ্রেফতার ০১ জন।

শহর ছেড়ে বাড়ির পথে অনেকে

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চট্টগ্রাম থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরা হচ্ছে আগামী ২১ মার্চ। ফলে এখনো কয়েক দিন সময় থাকলেও শুক্রবার থেকেই অনেকেই বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।

আজ শুক্রবার নগরের এ কে খান মোড়, অলংকার ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস ও ট্রেনে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন অনেকে। কেউ যাচ্ছেন কুমিল্লা, কেউ ঢাকা, কেউ সিলেট বা রাজশাহীর দিকে। যাত্রীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি না হলেও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদরের ছুটি। এর ফলে এবার ঈদের ছুটি হবে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ—মোট সাত দিন। সরকারি ছুটি শুরু হতে আরও তিন দিন বাকি। পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, আগামী সপ্তাহ থেকে ঈদযাত্রা আরও জমে উঠবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ছুটি শুরু হলে নগর ছাড়ার মানুষের ঢল নামতে পারে। তখন এ কে খান, অলংকার, কদমতলী বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের বড় ভিড় দেখা যাবে।

এ কে খান এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেন, তিনি নগরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এবার একটু আগেভাগেই বাড়ি যাচ্ছেন। কারণ, বাড়িতে একজন অসুস্থ আত্মীয় রয়েছেন। ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে থাকতে চান বলেই আগে বেরিয়ে পড়েছেন।

অন্যদিকে নোয়াখালীগামী একটি বাসে উঠেছিলেন সায়মা আক্তার। দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি গ্রামে ফিরছেন। সায়মা বলেন, ‘পরে গেলে খুব ভিড় থাকে। বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্ট হয়। তাই আগেই চলে যাচ্ছি।’ তবে তাঁর স্বামী লুৎফর রহমান এখনই যেতে পারছেন না। তিনি জানান, তাঁর স্বামীর এখনো ছুটি হয়নি। ঈদের আগের দিন তিনি বাড়ি যাবেন।নগরের অলংকার ও এ কে খান এলাকার বাস কাউন্টারগুলোতে এখনো তেমন চাপ দেখা যায়নি। কাউন্টারের কয়েকজন কর্মচারী বলেন, ঈদের আর কয়েক দিন বাকি। সাধারণত ঈদের তিন-চার দিন আগে থেকে যাত্রীর চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। তখন বাসের টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

গ্রিন লাইন পরিবহনের এ কে খান কাউন্টারের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. মেহেদি হাসান বলেন, এখনো যাত্রীর চাপ খুব বেশি নয়। তবে সরকারি ছুটি শুরু হলে যাত্রীর সংখ্যা বাড়তে পারে।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনেও এখনো বড় ধরনের ভিড় নেই। তবে স্টেশন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ঈদের সপ্তাহে ট্রেনযাত্রীর চাপ দ্রুত বাড়ে। বিশেষ করে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহীমুখী ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ থাকে। এদিকে পরিবহনের মালিকেরা বলছেন, এবার ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসগুলো নিয়মিত চলাচল করছে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ট্রিপ দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে।


     এই বিভাগের আরো খবর