বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম এ শামীম আরজুর আরজুর আজ ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী।এম এ শামীম আরজু কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির এক আবের ও অনুভূতির নাম।তার জীবনের সুদীর্ঘ সংগ্রামের স্মৃতিচিত্র কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির খাতায় চির অমলিন হয়ে থাকবে।বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত সিপাহসালার জিয়াউর রহমানের আদর্শিক সৈনিক হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবন চির স্বরনীয়।কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির অকুতভয় যোদ্ধা আরজুর ছাত্রজীবন থেকেই প্রতিবাদি ও সংগ্রামী যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।তার হাত কুষ্টিয়া রচিত হয়েছে জেলা ছাত্র দলের সোনালী অধ্যায়।৯০ এরশাদ বিরোধী গন অভূর্থানের মহানায়ক ছিলেন তিনি। শুধু কুষ্টিয়ার বুকেই নয় এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তার পদচারনা অংকিত হয়েছে ঢাকার রাজপথে।ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় যখন কুষ্টিয়া থেকে সরিয়ে গাজীপুরে স্থান্তর করা হয় তখন শামীম আবজু বিশ্ববিদ্যালয় টি কুষ্টিয়া তে পূনপ্রতিষ্ঠার লক্ষে এক দুরবার আন্দোলন গড়ে তোলেন যার জন্য তাকে বারবার কারাবরণ করতে হয়।তবুও তিনি থেমে থাকেননি।তার সংগ্রামে কুষ্টিয়ার মানুষের বুকে এক শান্তর ছাপ গেথে।ছাত্রনেতা থেকে তার লড়াইয়ে কুষ্টিয়া শহর বিএনপির সভাপতি পদে অলংকৃত করে।কিন্তু এতো কিছুর পরেও তার জীবনে নেমে এক কালো অধ্যায়।২০১৯ সালের ২৬ মার্চে কুষ্টিয়ার ডিসি কোর্ট চত্বরের শহীদ বেদিতে ফুল দিতে গেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও তার ভাই আতার ষড়যন্ত্রের কাছে হাড় মেনে আওয়ামী পুলিশ দ্বারা গ্রেফতার হন।এবং দীর্ঘ ১৫ দিন কারাভোগের বিনা চিকিৎসা কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে তাকে জীবনের শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করতে হয়।এভাবেই এক সংগ্রামের সংগ্রামী যোদ্ধার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অবসান ঘটে। তার এই মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে তার বড় সন্তান বিবিসি ক্রাইম নিউজের প্রকাশক ও সম্পাদক এস এম ফুয়াদ শামীম দেশবাসীর কাছে তার বাবার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।