ঢাকা, শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে টেপেন্টাডল ও গাঁজাসহ আটক ২ Headline Bullet চুয়াডাঙ্গার পথে আসা ৪২ কেজি গাঁজা আটক Headline Bullet নেত্রকোণায় অশ্লীল ভিডিও বানানো চক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার Headline Bullet তিন সন্তানের জননী মসজিদের ইমামের হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে Headline Bullet ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড Headline Bullet চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ২৩১ বোতল এসকাফ সিরাপসহ গ্রফতার ২ Headline Bullet নোংরা পরিবেশে দই উৎপাদন করায় ব্যাবসায়িকে জরিমানা Headline Bullet জীবননগরে সাজাপ্রাপ্ত ৪ আসামি গ্রেফতার Headline Bullet ফেনী সদর উপজেলার ছনুয়া গ্রামের ফারজানার সন্ধান এখনো মেলেনি Headline Bullet রাজধানীর মহাখালীতে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে স্বামীকে ৬ টুকরো করলো স্ত্রী

বগুড়ায় ছাত্রীকে কূ প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

Oplus_131072

বগুড়ার আদমদীঘিতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনির পর শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে আদমদীঘি থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন ছাত্রীর মা।

থানার ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার বিকালে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষককে গণপিটুনি দেন। তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে এবং বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক মাহমুদুল হাসান আদমদীঘি উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নশরতপুর ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের ঘোড়াদহ ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। একই এলাকার ওই ছাত্রী মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, মাহমুদুল হাসান কিছুদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করে আসছিলেন। তিনি মোবাইল ফোনে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠাতেন। এতে বিরক্ত হয়ে ছাত্রী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে ঘটনাটি পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার সকালে মাহমুদুল হাসান মাদ্রাসায় এলে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা তার কাছে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠানোর বিষয়ে জানতে চান। এ সময় তিনি অভিযোগটি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন। এতে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বিকাল ৪টার দিকে বিপুলসংখ্যক গ্রামবাসী মাদ্রাসায় সমবেত হয়ে শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করতে গেলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই তাকে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রহমতুল্লাহ বলেন, মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তী সময়ে ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া জানান, বুধবার সকালে ছাত্রীর মা শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।


     এই বিভাগের আরো খবর