: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একজনের কাছ থেকে ১০টি চোরাই কবুতর উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে আলমডাঙ্গা থানার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এসআই কাজী শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এরশাদপুর (মাগুরাপাড়া) এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় রাস্তার ওপর থেকে এরশাদপুর (মাগুরাপাড়া) গ্রামের রহমান মন্ডলের ছেলে লিটন মন্ডল (৪০)-কে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ১০টি চোরাই কবুতর উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। একই দলের পৃথক অভিযানে ছোটপুটিমারী গ্রামের মুদির দোকানের সামনে থেকে ছোটপুটিমারী গ্রামের রিয়াজ আলীর ছেলে খোকন আলী (২৮) এবং ছোটপুটিমারী গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে সাহেব আলী (২৯)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুই পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে ঘোলদাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের এসআই গোলাম হোসেনের নেতৃত্বে পোলাবাগন্দ গ্রামে অভিযান চালিয়ে পোলাবাগন্দ গ্রামের মৃত মনছের আলী মন্ডলের ছেলে ছারুয়াল আলী (৪৬)-কে ১০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া এসআই নাসির উদ্দিন মোল্লার নেতৃত্বে আলমডাঙ্গা পৌরসভার রাধিকাগঞ্জ পৌর পশুরহাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেলগাছি (সরদারপাড়া) গ্রামের মীর সাইদুর ইসলাম খোকনের মেয়ে নিশিতা ইয়াসমিন ঐশি (১৯)-কে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি এরশাদপুর (মাগুরাপাড়া) এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। তার কাছ থেকে ১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২৫ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির নগদ ৬৩ হাজার টাকা ও চারটি ব্যবহৃত পুরোনো মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার লিটন মন্ডল, খোকন আলী, সাহেব আলী ও ছারুয়াল আলীকে সামারি ট্রায়াল কোর্টে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর নিশিতা ইয়াসমিন ঐশির বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।