ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet খুলনার রুপসায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা Headline Bullet কুষ্টিয়ায় এমপি মুফতি আমির হামজার গাড়িতে হামলা ভাংচুর Headline Bullet যশোরের বোলপুরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী জলিল ও তার সহযোগীসহ ০৪ (চার) জন আটক , ৪০০ (চারশত) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার Headline Bullet দর্শনার কলাবাগানে এক রাতের তাণ্ডব,শত শত গাছ নিখোঁজ, পেছনে কার কালো হাত Headline Bullet বেলজিয়ামের একটি বাড়ি সংস্কারের সময় দেয়ালের ভেতর থেকে আনুমানিক ৯ মিলিয়ন ইউরো Headline Bullet কুষ্টিয়ার ভারতীয় সিমান্তে বিপুল পরিমান মাদক ও অবৈধ মালামাল উদ্ধার Headline Bullet চুয়াডাঙ্গার বড়বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্থদের বিক্ষোভ মিছিল Headline Bullet ফরিদপুরে পদ্মার ভাঙন রোধে কবিরপুর চরে জরুরি ট্রাম্পিং কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ Headline Bullet মেহেরপুরে ডিবির অভিযানে মাদক ও জুয়াড়ীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার, ৩ মোবাইল উদ্ধার Headline Bullet মাদারীপুরে মানবপাচারের অভিযোগে এনামুল মাতুব্বর গ্রেপ্তার

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিবের আবেগঘন স্ট্যাটাস

শুক্রবার (৬ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বেইলি রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’-এর স্মৃতি রোমান্থন করে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি।স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, বিদায়, বেইলি রোড। তুমি আমার জীবনের এক রোমাঞ্চকর যাত্রার সাক্ষী হয়ে আছো।বেইলি রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’ ভবনের পঞ্চম তলায় থাকতাম আমি। যদিও তখন সেখানে কোনো মন্ত্রীরা থাকতেন না। ওই ভবনে থাকতেন কেবল বিচারপতি ও নির্বাচন কমিশনাররা। চারপাশটা খুবই শান্ত ও স্থির মনে হতো।সেখানে সকালটা শুরু হতো পাখিদের কিচিরমিচিরে। আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা।তিনি উল্লেখ করেন, রাজধানীর শাহীনবাগের নিজ বাসা ছেড়ে বেইলি রোডে ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’-এ বসবাসের মূল কারণ ছিল যমুনা’র কাছে থাকা। কারণ, যমুনা’য় অবস্থান করতেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসের অধিকাংশ সময় তিনি সেখান থেকেই দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করেছেন। বহুবার এমন হয়েছে- আমাকে রাতের খাবার ফেলে রেখে যমুনায় ছুটে যেতে হয়েছে- সংকট ব্যবস্থাপনা কাছ থেকে দেখার জন্য এবং সেই প্রচেষ্টার কথা মানুষকে জানানোর জন্য।’স্ট্যাটাসে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব লিখেন, ‘আমার বেইলি রোডের ফ্ল্যাট থেকে কয়েক গজ দূরেই ছিল ফরেন সার্ভিস একাডেমি। সেখানে আমি প্রায় ৩০০টি সংবাদ সম্মেলন করেছি এবং ঐকমত্য কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংলাপে অংশ নিয়েছি। এই জায়গার শান্ত পরিবেশ অনেক সময়ই ভেঙে গেছে উত্তাল বিক্ষোভে।তখন মনে হয়েছে, যেন আমাদের সবার জন্য এটাই শেষ। তবু কোনো এক রহস্যময় মোড়ে পরিস্থিতি বদলে যেত, আর বেইলি রোড আবার ফিরে পেত তার শান্ত সৌন্দর্য।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘আমার একমাত্র আক্ষেপ যে গত তেরো মাসে আমি রমনা পার্কে যথেষ্ট সময় নিয়ে যেতে পারিনি। এ ছাড়া অন্য মানুষদের মতো রমনায় সকালবেলার হাঁটাহাঁটি করা, কিংবা হাসি-আড্ডায় মেতে থাকা দলগুলোর সঙ্গেও যোগ দিতে পারিনি আমি। তবু আমি আর আমার স্ত্রী প্রায় প্রতিদিনই রাস্তার ধারে সকালে বসা অস্থায়ী বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতাম। যদিও সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ সেই ছোট ছোট দোকানগুলো সরিয়ে দিয়েছে।’

সবশেষে তিনি লেখেন, ‘বিদায়, বেইলি রোড। তুমি উপর থেকে শান্ত ছিলে। কিন্তু ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিলে।’


     এই বিভাগের আরো খবর