ঢাকা, সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: বিস্কুট ফ্যাক্টরি পুড়ে ছাই, নগদ টাকাসহ প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি Headline Bullet মাদক নির্মূল, আইনি সুরক্ষা ও জনকল্যাণ: করুলগাছি ইউনিয়নে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উদ্যোগে বিশেষ জনসেবা সমাবেশ অনুষ্ঠিত” Headline Bullet চাচার লালসার স্বীকার ভাতিজি Headline Bullet ফেসবুকে তান্ত্রিক সেজে রাসায়নিক কৌশলে ভয় দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্নসাৎ, গ্রেফতার ৩, দুই জনের স্বীকারোক্তি Headline Bullet বগুড়ার শিবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানতালিকাভুক্ত ২ জন আসামীকে গ্রেফতারবগুড়ার শিবগঞ্জে ডিএনসির অভিযান Headline Bullet নাটোরে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার Headline Bullet কুষ্টিয়ায় ছেলের হাতে বাবা নিহত Headline Bullet পাংশায় ৮০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরন Headline Bullet চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় সুলতানপুর বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে নতি স্বীকার করেছে মোদি সরকার

Oplus_131072

কোনো রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা বছরের পর বছর রাজপথে আন্দোলনের অভিজ্ঞতা ছিল না তাদের। তা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ তরুণদের দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভারতের পুরো রাজনৈতিক মহলকে পরাস্ত করেছে। শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মুখে অবশেষে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার।
কয়েক সপ্তাহ ধরে সিজেপির টানা বিক্ষোভের পর শনিবার মোদি সরকার তাদের মূল দাবিগুলো মেনে নেয়। পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। দাবি আদায়ে জয় নিশ্চিত করে আন্দোলনকারীরা যন্তর মন্তর থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। টানা ১২ বছর ক্ষমতায় থাকা মোদি সরকারের আমালে শীর্ষ কোনো মন্ত্রীকে এভাবে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।
নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার অব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের মূল শক্তিতে পরিণত হয়েছিল তরুণদের কৌশল। তারা কোনো প্রচলিত রাজনৈতিক দলের ফাঁদে পা দেয়নি। বিরোধী নেতারা সংহতি জানাতে এলে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট করে দেন-নেতৃত্ব থাকবে শিক্ষার্থীদের হাতেই। কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আদর্শের জালে না জড়িয়ে আন্দোলনকে শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা, পরীক্ষা ও কোটি কোটি তরুণের ভবিষ্যতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল।
রাজপথের লড়াইয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াকে আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলেছিল এই জেন-জি (Gen-Z) প্রজন্ম। ২০ সেকেন্ডের রিলস, ড্রোন শট, অনশনের ভিডিও এবং মিম ব্যবহার করে লড়াইয়ের নতুন ভাষা তৈরি করে তারা। টিভি টকশো বা সরকারি সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগেই ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম ঠিক করে দিত জনমত কোন দিকে যাবে। সরকারের যোগাযোগের কোনো ঐতিহ্যবাহী মাধ্যমই শিক্ষার্থীদের এই বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল যুদ্ধ সামাল দিতে পারেনি।
রাজনীতিবিদেরা ভেবেছিলেন অভিজ্ঞতার কাছে তরুণেরা হেরে যাবে, কিন্তু দিনশেষে রাজনীতি ও আন্দোলনের চেনা সমীকরণটাই বদলে দিয়েছে এই আনকোরা শিক্ষার্থীরা। বছরের পর বছর পর ভারতের রাজনীতিতে তরুণেরা নেতাদের পেছনে না হেঁটে, বরং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদেরই নিজেদের পেছনে হাঁটতে বাধ্য করেছে।


     এই বিভাগের আরো খবর