ঢাকা, বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ()

কালবৈশাখি ঝড়ের কারনে ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ ও মোবাইল সিগনাল ব্যাতীত গ্রামটি

Oplus_131072

গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) থেকে বুধবার (২৯ এপ্রিল) পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন উপজেলা সদরের বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল টাওয়ারগুলোও বন্ধ হয়ে পড়েছে, ফলে অচল হয়ে আছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাম্প্রতিক কালবৈশাখি ঝড়ে কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। এতে উপজেলা সদরের অন্তত ২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন।

শাল্লা উপজেলা সদরের ব্যবসায়ী সুলতান মিয়া বলেন, তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের ব্যাবসার অনেক ক্ষতি হচ্ছে। ফ্রিজে রাখা পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। পাঁচবার কল দিলে একবার কল যায়।স্থানীয় মোটরসাইকেলের চালক ইব্রাহীম মিয়া বলেন, তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই, মোবাইলেও নেটওয়ার্ক নেই। খুব জরুরি প্রয়োজনেও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। চরম কষ্টে আছি।

এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও পড়েছেন বিপাকে। গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী পুস্পিতা তালুকদার বলে, বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। মোমবাতি জ্বালিয়ে পড়তে হচ্ছে। ঝড়ো বাতাসে বারবার বাতি নিভে যাচ্ছে। চলমান মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ে এই ভোগান্তিতে আমাদের প্রস্তুতি নিতে সমস্যা হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জের বিক্র‍য় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমেদ বলেন, ঝড়ে আমাদের বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খুঁটি ও লাইন মেরামতের কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, তিন দিন ধরে উপজেলা সদরে বিদ্যুৎ নেই। সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করেছি। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর