ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাহদীসহ আটক ৩ Headline Bullet সীমান্ত ভেদ করে এবার বাগানের ভেতর বিএসএফের পিলার বাংলাদেশের ভেতরে একের পর এক পিলার বসানোর অভিযোগ Headline Bullet চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬০০ পিছ ইয়াবাসহ ডিবির হাতে আটক এক Headline Bullet কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গনঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দায়ের Headline Bullet কুষ্টিয়ার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আমীর হামজার কঠোর হুশিয়ারি Headline Bullet দর্শনা থানা এলাকা হতে একজন মাদক ব্যবসায়ী আটক Headline Bullet দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে পুলিশের বিশেষ অভিযান: কাগজপত্র যাচাই ও মামলা Headline Bullet মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশাকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যার অভিযোগ Headline Bullet বগুড়ায় র‍্যাবের পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল-ইয়াবাসহ আটক ৩

দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে মাসিক সম্মানি প্রদান শুরু

আগামীকাল শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো বার্তায় আরো জানানো হয়, ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন হবে।প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।তিনি আরো জানান, প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, এ থেকে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।এ ছাড়া প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।’

ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবার পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু হলেও আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে সারা দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই সম্মানীর আওতায় আনা হবে।লতি অর্থবছরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আর দেশের সব মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার বা প্যাগোডা এবং গির্জাকে অন্তর্ভুক্ত করে পুরো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সরকার চার ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে।

প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ লাগবে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। পরের বছর ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৮-২৯ অর্থবছরে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর