ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet বিয়ের আগের রাতেই মাদকসহ আটক বর Headline Bullet পুলিশের লোকের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাপ দেয় তাহসিফ আমি পালিয়ে আসি Headline Bullet পুলিশের চাকরিতে থাকা অবস্থায় আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ সক্রীয় থাকায় পুলিশ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ Headline Bullet আলমডাঙ্গায় পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেফতার করেছে তিন জনকে Headline Bullet মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অভিযানে ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ আটক Headline Bullet মহেশপুরে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ আটক এক Headline Bullet গাংনীতে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার এক Headline Bullet গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা,স্বামী শ্বশুরী পলাতক Headline Bullet কুড়িগ্রাম সদরে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও হেরোইনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর Headline Bullet রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়ার অনুমোদন

এলাচি ও চায়না থ্রি’র বাম্পার ফলন


করোনা মহামারিতে লেবুর যোগান দিতে রাজবাড়ীতে বেড়েছে লেবুর চাষ
এস এম রাহাত হোসেন ফারুক, রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃ করোনার মহামারিতে সারা বছর বাজারে লেবুর চাহিদা যোগাতে রাজবাড়ীর কৃষকেরা লেবু চাষে ঝুকছেন। কৃষকেরা বলছেন লেবু চাষে রোগ বালাই এবং খরচ কম হওয়ায় বেশ লাভবান হচ্ছেন তারা। এছাড়াও এলাচি ও চায়না থ্রি জাতের লেবু চাষে হয়েছে বাম্পার ফলন।
বুধবার সকালে রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ও নবাবপুর ইউনিয়ন ঘুরে দেখাযায়, এই দুটি ইউনিয়নের এখন মাঠের পর মাঠ লেবুর চাষ। প্রতিটি লেবুর বাগানেই থোকায় থোকায় ঝুলছে লেবু।
বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের খোদ্দরামদিয়া গ্রামের কৃষক মোঃ মাসুদ রানা ৭৪ শতাংশ জমিতে বানিজ্যিকভাবে করেছেন লেবু চাষ। এতে তার খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। করোনার কারনে বাজারে বেশ চাহিদা ও দামও পেয়েছেন ভালো। সব মিলিয়ে এক বছরে লেবু বিক্রি করেছেন প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। তার এই সাফল্য দেখে আশে পাশের কৃষকেরা পরামর্শ নিতে আসছেন তার কাছে।
খোর্দ্দরামদিয়া গ্রামের কৃষক মোঃ মাসুদ রানা বলেন, একবার লেবু চারা রোপন করলে ফলন দেয় ১০ থেকে ১২ বছর। রোগ বালাই তেমন না থাকায় নেই বাড়তি কোন খরচ। বছরজুরে বাজারে চাহিদা থাকায় বিক্রিতে নেই কোন ঝামেলা। বেশির ভাগ সময় ব্যবসায়ীরা লেবুর বাগানে এসে সঠিক মূল্য দিয়ে লেবু কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, এলাচি ও চায়না থ্রি জাতের লেবু চাষে ফলন হয়েছে বেশি। এখন প্রায় প্রতিদিনই লেবু সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।
খোদ্দরামদিয়া গ্রামের অপর কৃষক আবুল খন্দকার বলেন, লেবুর গাছের তেমন রোগ নেই তবে একবার আমার বাগানের সব লেবুর চারা পাতাসহ হলুদ হয়ে গেলে আমি চিন্তিত হয়ে পরি। এ ব্যপারে বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসের বার বার গেলেও কোন সহযোগিতা পাইনি। তারা কখনও কোন পরামর্শ তো দুরের কথা বাগানে এসেও দেখে না। তারা পরামর্শ দিলে কৃষক আরো বেশি লাভবান হতো।
নবাবপুর ইউনিয়নের কৃষক হাফিজুর রহমান বলেন, লেবুর ভালো ফলন হয়েছে। বাজারে দামও ভালো। তবে সরকারীভাবে লেবু রাখার ব্যাবস্থা বা এই জেলা একটি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করলে কৃষকের সেখানে লেবু মজুদ করতে পারতো। তিনি আরো বলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলার লেবু, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া জেলার চাহিদা মিটিয়ে এখন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর রাজবাড়ীর উপ পরিচালক গোপাল কৃঞ্চ দাস বলেন, রাজবাড়ীর মাটি লেবু চাষে উপযোগি। বেশি লাভ হওয়ায় রাজবাড়ীতে বানিজ্যিকভাবে হচ্ছে লেবু চাষ। সম্ভাবনাময় লেবু চাষে বিস্তার ঘটাতে কাজ করছে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর। লেবুর জাত ও চাষ পদ্ধতি নিয়েও কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে পরামর্শ।


     এই বিভাগের আরো খবর