ঢাকা, বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet খোকসায় পুলিশের অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার Headline Bullet গত ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি;বানিজ্য মন্ত্রী Headline Bullet আইইডিসি‌আরে রুমে ঢুকে পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ Headline Bullet ভেড়ামারায় বিধবার দুই ছাগল চুরির অভিযোগে ২ জন গ্রেপ্তার Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা ডেগারের আঘাতে যুবক আশঙ্কাজনক Headline Bullet পাংশায় ইয়াবা সেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড Headline Bullet মেহেরপুরে খেলনা পিস্তল দিয়ে ভয় দেখাতে গিয়ে আটক ২ Headline Bullet মুন্সীগঞ্জে এক নারীর অগোচরে গোসলের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি Headline Bullet কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন Headline Bullet খোকসায় একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নারীদের নগ্ন ভিডিও ধারন করার নেশা আলিফের

Oplus_131072

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং পরবর্তীতে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মো. আলিফ হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং সাইবার অ্যানালাইসিস ব্যবহার করে গত সোমবার টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁর ধামইরহাট থানা পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার আলিফ হোসেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার চরবিরসিংহ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার এক তরুণীর নগ্ন ও আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় এক অজ্ঞাত চক্র। এই ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা ধামইরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মামলা রুজু করে। ঘটনার সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্তে নামে ধামইরহাট থানার একটি বিশেষ টিম। পরবর্তীতে উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত আলিফের অবস্থান ও পরিচয় শনাক্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তল্লাশি চালিয়ে আসামির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করে পুলিশ। এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে আলিফের মোবাইলটিতে ধামইরহাটের ওই তরুণী ছাড়াও আরও অন্তত তিন মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও এবং ছবি পাওয়া গেছে। এমনকি নিজের স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও এবং ছবিও সে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে মোবাইলে সংরক্ষণ করে রেখেছিল।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আলিফ নিজের অপরাধ স্বীকার করে জানিয়েছে, সে সুকৌশলে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মেয়েদের সাথে প্রথমে সখ্যতা ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলত। এরপর ভিডিও কলের মাধ্যমে কৌশলে তাদের আপত্তিকর মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে মোবাইলে জমিয়ে রাখত। পরবর্তীতে এসব সংবেদনশীল কনটেন্ট ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করত এবং মোটা অঙ্কের টাকা ও অনৈতিক সুবিধা দাবি করত। মূলত এই ঘৃণ্য অপরাধের মাধ্যমে সে এক ধরনের বিকৃত আনন্দ পেত বলে জানায়। ধামইরহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে ইতোমধ্যেই সুনির্দিষ্ট ধারায় দায়ের করা মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং এই চক্রের সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


     এই বিভাগের আরো খবর