কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলায় একটি উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসক, নার্স, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এছাড়া কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার মানোন্নয়নে বিস্তার আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা-মিরপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর। জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, সদর হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা: এইস এম আনোয়ারুল ইসলাম। এছাড়া রোগী কল্যাণ সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, হাসপাতালের কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং রোগীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল আমাদের জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটিতে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পদাধিকার সদস্যবৃন্দ সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ। সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম, চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন এবং জনসেবার মান বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়নমূলক প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।উন্নয়নের সুফল যেন জেলার প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সভায় উপস্থিত সদস্যরা বিভিন্ন এলাকার সমস্যা, উন্নয়নের চাহিদা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন, প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি এবং জনগণের সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।