ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬ ()

কুষ্টিয়ায় ইউ এন ও উপস্থিতি টের পেয়ে পলায়ে গেল বর কনে

Oplus_131072

আকস্মিকভাবে উপস্থিত হলেন নারী ইউএনও। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে একে একে সটকে পড়েন কনে ও বরের মা – বাবা, বরযাত্রী ও স্বজনরা। পন্ড হয়ে যায় এই বাল্যবিয়ের আসর। পরে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না – এই মর্মে মৌখিক স্বীকারোক্তিও নেওয়া হয় অভিভাবকদের। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দবন গ্রামে মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে পৌণে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) ফারজানা আখতার। অভিযানে সহযোগীতা করে থানা পুলিশ। স্বজনদের ভাষ্য, কনে কুমারখালী ফাজিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। আর বর একই প্রতিষ্ঠান থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। প্রায় দেড় বছর আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। বিয়ে না দিলে তারা আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দেন অভিভাবকদের। অনেকটা বাধ্য হয়েই অভিভাবকরা বাল্যবিয়ের আয়োজন করেছিল। তবে কাজী আসার আগেও ম্যাজিস্ট্রেট হাজির হওয়ায় বিয়ের আসর পন্ড হয়ে যায়। ওই কনের বাবা বলেন, একই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুবাদে ছেলে ও মেয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা আত্মহত্যার হুম দিলে বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। তবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্ক না হলে আর বিয়ে দেওয়া হবেনা। এ তথ্য নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আখতার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিয়ের আসর পন্ড করে কড়া সতর্ক করা হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে হবে না- এই মর্মে স্বীকারোক্তি নিয়ে স্বজনদের কাছে ছেলেমেয়েকে হস্তান্তর করা হয়। বাল্যবিয়ের ব্যাপারে প্রশাসন জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এ বিষয়ে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। জনস্বার্থ এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।


     এই বিভাগের আরো খবর