ঢাকা, শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত নায়াব ইউসুফ Headline Bullet ঝিনাইদহ মাদকের গডফাদার গ্রেফতার Headline Bullet কুষ্টিয়া মিরপুর থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার এক Headline Bullet ভারতকে পুশইন বন্ধের আহবান Headline Bullet ভাঙ্গায় মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা প্রধানদের সঙ্গে সাংসদ বাবুলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Headline Bullet কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রধান দুই আসামি একজন কারাগারে একজন সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর Headline Bullet কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অস্ত্র উদ্ধার Headline Bullet মেসিই সর্বকালের সেরা প্লেয়ার, রোনাল্ডো Headline Bullet টঙ্গীতে হানিট্রাপে দুই যুবক Headline Bullet চুয়াডাঙ্গা দর্শনা থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযানে ৩০ (ত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। গ্রেফতার ০১ জন।

আন লাইন জুয়া,ওসি প্রত্যাহার

Oplus_131072

রাজধানীর ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে ডিএমপির ডেভেলপমেন্ট বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

জানা গেছে, ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে ৩৩ লাখ টাকার অস্বাভাবিক অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠে। যা অনলাইন জুয়ার লেনদেন বলে অভিযোগ ছিল।

বুধবার (১৮ মার্চ) ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ইমাউল হককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়, তবে কারণ উল্লেখ করা হয়নি আদেশে।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে প্রোফাইলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের একটি পোস্ট করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ডিএমপির ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে (01712254***) অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে। ২০২৫ এর ২০ ডিসেম্বর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লেনদেন হওয়া এসব টাকার বেশির ভাগই আবার অনলাইন জুয়ায় ব্যয় হয়েছে।

ওসির বিকাশ ও নগদ নম্বরে আসা এই অর্থের পরিমাণ ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। যা সাতটি বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে তার কাছে বিভিন্ন সময়ে পাঠানো হয়।

তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভাটারা থানার পেছনে অবস্থিত একটি বিকাশ/নগদের দোকান থেকে (রহিমের দোকান) গত দুই মাসে ওসির মোবাইল নম্বরে এসেছে ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। কনস্টেবল আমজাদের মোবাইল নম্বর থেকে এসেছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। কনস্টেবল সাদ্দামের মোবাইল নম্বর থেকে এসেছে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬২৯ টাকা।

এছাড়া গত দুই মাসে নাসিম (বাড়িওয়ালা) এর নম্বর থেকে এসেছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ টাকা। মদিনা এজেন্ট হাউজ থেকে এসেছে ২ লাখ ১৪ হাজার টাকা। এর বাইরে খালেক নামের এক ব্যক্তি ওসির বিকাশ/নগদে পাঠিয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ৮৫০ টাকা। লন্ড্রি পিকআপ অ্যান্ড ড্রপ নামে রেজিস্ট্রেশন করা একটি নম্বর থেকে ওসির ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে এসেছে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা। আর মিজানুর নামের আরেক ব্যক্তির নম্বর থেকে এসেছে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ১২০ টাকা। পাশাপাশি ওসির ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও বিপুল অর্থ লেনদেনের তথ্য মিলেছে।


     এই বিভাগের আরো খবর