মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে কুষ্টিয়া পৌরসভার ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর যৌথ উদ্যোগে এক মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বাদ আছর শহরের কুঠিপাড়া মডেল মসজিদ এলাকার ঈদগাহ ময়দানে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। প্রধান বক্তা ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার।বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হারুন অর রশীদ, কুষ্টিয়া মডেল থানার কর্মকর্তা মোস্তাফিজ, জেলা বিএনপি সদস্য মহিউদ্দিন চৌধুরী মিলন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আল আমীন রানা কানাই, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক শওকত হাসান বুলবুল, পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, পৌর যুবদলের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক কাউন্সিলর আতাউল গনি ওসমান ও সঞ্চালনা করেন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সোহানুর রহমান লিংকন।অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, পৌর ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেন জনি ও কামরুজ্জামান কামু, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক হিমেল শেখ ও সদস্য মঞ্জুরুল শেখ লিংকন, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ছাত্রদল নেতা ইয়াছিন আরাফাত। এছাড়া সমাবেশে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, খুব দ্রুত সময়ে এলাকায় মাদক বিরোধী কমিটি করা হবে। কমিটির কাজ হবে যারা নোংরা কাজের সাথে জড়িত তাদেরকে ফেরানো। আমরা শুধু মাদক নির্মূল না, যারা বেকার তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। শুধু শাস্তি দিলাম ব্যাপারটা এমন না, যারা ভালো হতে চাই তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। তিনি আরো বলেন, মূল যে রেকেট সেটার পিছনে কোন না কোন রাজনৈতিক ছত্রছায়া থাকে। এর পিছনে অবশ্যই কোন না কোনভাবে প্রশাসন জড়িত থাকে। যদি প্রশাসন জড়িত না থাকে তাহলে মাদক কেনো নির্মূল হবে না? মাদক কেনাবেচাকারীদের সংখ্যা তো বেশি না।তারপরও এর বিরুদ্ধে আমরা প্রতিরোধ করছি, প্রতিবাদ গড়ে তুলছি এবং একটা নিরাময় অবস্থা হওয়ার চেষ্টা করছি। মাদক বেশি দেখা যায় শ্মশান, চরমিল এলাকা সহ বস্তি এলাকায়। এই এলাকা গুলো একটা রিমোট এলাকা। আজকে যে মেয়েরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ঘর ছেড়ে বাইরে এসেছে। গোলমাল দেখলে যে মেয়েরা ঘরের দরজা দেয়, সে মেয়েরা যখন কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে পথে বের হয় সেই শক্তিকে উপেক্ষা করা কোন অপশক্তি রাখে না। তিনি বলেন, মাদকের সিন্ডিকেট ভাঙতে হলে কাজের ধরন চেঞ্জ করতে হবে, গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে।