ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালত বৃহস্পতিবার ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাঁকে জামিন দেন।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান ও সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ। পরে আইনজীবী মেজবাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এসব মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন দেওয়া পর্যন্ত আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
জামিন দেওয়ার আগে এসব মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আগামী ২১ জানুয়ারি নাশকতার আরো চারটি মামলার জামিন আবেদন শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।’
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশের আগে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় দলটির নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে রাজধানীর হেয়ার রোডে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।
আর রাজধানীর দৈনিক বাংলার মোড় এলাকায় সংঘর্ষে আমিনুল পারভেজ নামের এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হন। সংঘর্ষ, হামলা ও পুলিশ হত্যার দায়ে রমনা, পল্টনসহ বিভিন্ন থানায় মোট ৩৬টি মামলা করেন পুলিশ। এই ৩৬ মামলার মধ্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১০ মামলার আসামি।
গত ২ নভেম্বর পুলিশ হত্যা মামলায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।গত ১৪ ডিসেম্বর নাশকতার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলেও বাকি আট মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছিল না। এ অবস্থায় বাকি আট মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করলে তা ঢাকার সিএমএম আদালত গ্রহণ না করায় হাইকোর্টে রিট করা হয়। গত ৮ জানুয়ারি এ রিটে শুনানির পর হাইকোর্ট আট মামলায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন আবেদন গ্রহণ করে তা আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে সিএমএম আদালতকে নির্দেশ দেন। এরপর গতকাল বুধবার (১৭ জানুয়ারি) নাশকতার দুই মামলায় জামিন হয় এ বিএনপি নেতার। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত তিনি ছয় মামলায় জামিন পেলেন।