লক্ষ্মীপুর কমলনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নুরউদ্দিন চৌধুরী রুবেল ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। গতকাল সোমবার উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত উঠান বৈঠকে ঈগল পাখির পক্ষে স্লোগান দিয়েছেন তিনি। এটি তিনি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাইভ দিয়েছেন।
ওই লাইভে তিনি বলেছেন, ‘ছাত্রলীগের মার্কা ঈগল মার্কা, যুবলীগের মার্কা ঈগল মার্কা, আওয়ামী লীগের মার্কা ঈগল মার্কা’।
পরে এ স্লোগান নিয়ে নানান সমালোচনা সৃষ্টি হলে তিনি ভিডিওটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেন।
জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে নৌকার প্রতীকে মহাজোটের শরীকদল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সহসভাপতি মোশারফ হোসেন নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। নৌকার বিরুদ্ধে গিয়ে অধিকাংশ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল্লাহর পক্ষে কাজ করছেন। রামগতি ও কমলনগর উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরাও আবদুল্লাহর পক্ষে কাজ করছেন।
গতকালের ওই উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আবদুল্লাহ, কমলনগর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বাপ্পি, রামগতি উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন হেলাল ও তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফয়সাল আহম্মেদ রতন প্রমুখ।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নুরউদ্দিন চৌধুরী রুবেল বলেন, ‘আবদুল্লাহ ভাইয়ের পক্ষে আমি কাজ করছি না। বৈঠকটা আমার বাড়ির পাশে ছিল। চলতি পথে দেখা হওয়ায় হাত ধরে টেনে তাঁরা আমাকে নিয়ে গেছে।
এ জন্য মাইকে সবাইকে ৭ জানুয়ারি কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। ঈগল প্রতীকে ভোট চাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। সুপার এডিট করে ভিডিওটি ছড়িয়ে দিয়েছে একটি সুবিধাভোগী চক্র। আমি নৌকার পক্ষে ছিলাম, আছি।’
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘ঘটনাটি নৌকার প্রার্থী আমাদেরকে অবিহিত করেছেন।