ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet খোকসায় পুলিশের অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার Headline Bullet গত ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি;বানিজ্য মন্ত্রী Headline Bullet আইইডিসি‌আরে রুমে ঢুকে পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ Headline Bullet ভেড়ামারায় বিধবার দুই ছাগল চুরির অভিযোগে ২ জন গ্রেপ্তার Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা ডেগারের আঘাতে যুবক আশঙ্কাজনক Headline Bullet পাংশায় ইয়াবা সেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড Headline Bullet মেহেরপুরে খেলনা পিস্তল দিয়ে ভয় দেখাতে গিয়ে আটক ২ Headline Bullet মুন্সীগঞ্জে এক নারীর অগোচরে গোসলের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি Headline Bullet কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন Headline Bullet খোকসায় একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

বগুড়ায় ছাত্রীকে কূ প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

Oplus_131072

বগুড়ার আদমদীঘিতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনির পর শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে আদমদীঘি থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন ছাত্রীর মা।

থানার ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার বিকালে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষককে গণপিটুনি দেন। তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে এবং বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক মাহমুদুল হাসান আদমদীঘি উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নশরতপুর ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের ঘোড়াদহ ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। একই এলাকার ওই ছাত্রী মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, মাহমুদুল হাসান কিছুদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করে আসছিলেন। তিনি মোবাইল ফোনে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠাতেন। এতে বিরক্ত হয়ে ছাত্রী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে ঘটনাটি পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার সকালে মাহমুদুল হাসান মাদ্রাসায় এলে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা তার কাছে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠানোর বিষয়ে জানতে চান। এ সময় তিনি অভিযোগটি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন। এতে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বিকাল ৪টার দিকে বিপুলসংখ্যক গ্রামবাসী মাদ্রাসায় সমবেত হয়ে শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করতে গেলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই তাকে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রহমতুল্লাহ বলেন, মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তী সময়ে ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া জানান, বুধবার সকালে ছাত্রীর মা শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।


     এই বিভাগের আরো খবর