ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet খোকসায় পুলিশের অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার Headline Bullet গত ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি;বানিজ্য মন্ত্রী Headline Bullet আইইডিসি‌আরে রুমে ঢুকে পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ Headline Bullet ভেড়ামারায় বিধবার দুই ছাগল চুরির অভিযোগে ২ জন গ্রেপ্তার Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা ডেগারের আঘাতে যুবক আশঙ্কাজনক Headline Bullet পাংশায় ইয়াবা সেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড Headline Bullet মেহেরপুরে খেলনা পিস্তল দিয়ে ভয় দেখাতে গিয়ে আটক ২ Headline Bullet মুন্সীগঞ্জে এক নারীর অগোচরে গোসলের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি Headline Bullet কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন Headline Bullet খোকসায় একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

স্বামীকে হত্যার পরে ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেন স্ত্রী

Oplus_131072

নিহত কৃষকের নাম হারুন হাওলাদার (৫৯)। তিনি চরমালিয়া গ্রামের মৃত অছিমদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

ঘটনার পর জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্ত্রী সেলিনা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ লুকিয়ে রেখে নিখোঁজের নাটক সাজিয়েছিলেন ওই নারী।

গত শুক্রবার রাতে হঠাৎ নিখোঁজ হন তিনি। এরপর থেকেই তার স্ত্রী সেলিনা বেগম দাবি করে আসছিলেন যে, গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু লোক হারুন হাওলাদারের হাত ও চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গেছে এবং একটি ট্রলারে করে পালিয়ে গেছে। এই সাজানো ঘটনাকে সত্য প্রমাণ করতে সেলিনা বেগম তার ছেলে জাফর হাওলাদারকে দিয়ে গত শনিবার রাতে মুলাদী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করান।নিজের সাজানো ওই অপহরণ মামলায় সেলিনা বেগম নিজেই প্রধান সাক্ষী হয়েছিলেন।

পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে, গত শনিবার ভোরে সফিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হেলাল ব্যাপারী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হারুন হাওলাদারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে জানান। খবর পেয়ে ওই দিন সকালেই মুলাদী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আমান বান্নাসহ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।

স্থানীয় সফিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হেলাল ব্যাপারী এই বিষয়ে জানান, শনিবার ভোরে সেলিনা বেগম নিজেই তার স্বামীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে চারদিকে শোরগোল তোলেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। তবে প্রথম থেকেই সেলিনা বেগমের কথাবার্তা ও আচরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে তীব্র সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। বিশেষ করে, শুক্রবার রাতে তিনি ঘরের মেঝে হঠাৎ নতুন কাদামাটি দিয়ে লেপে দিয়েছিলেন, যা সবার নজরে আসে। একজন নিরীহ কৃষক এভাবে নিখোঁজ হওয়ায় সোমবার সকালে প্রতিবেশীরা সম্মিলিতভাবে বাড়ির আশপাশে খোঁজখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে হারুনের রান্নাঘরের পাশে নতুন খনন করা মাটি ও সেখানে মানুষের আঙুল সদৃশ কিছু দেখতে পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ কৃষকের মরদেহটি উদ্ধার করে।


     এই বিভাগের আরো খবর