১৯৭১সাল মুক্তি যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ রণাঙ্গনের রনখেত্রে পরিনত হয়েছিল প্রতিটি অঞ্চল।আতর্কচিত্রে বর্বর হামলা চালিয়েছিল বাংলাদেশের নিরিহ মুক্তিকামি সাধারণ জনতার উপর। যেখানে বৃদ্ধ নারী শিশু কাউকেই রেহায় দেয়নি পাক হানাদার বাহিনীর হায়েনারা।বাংলাদেশ এর রক্তে লাল হয়ে গেছিল সবুজ মাটিটি।নির্মমতার প্রতিচ্ছবি বিভিশিখাময় অতংকটা দেশের প্রতিটি জনতার মস্তিষ্কের ছাপ ফেলে দেয়। ফলে শুরু হয় ভয়াল মুক্তি যুদ্ধ।বাঙালী ঝামিয়ে পড়ে তাদের মুক্তির সংগ্রামে।প্রতিটি বাঙালি যে যেখানে ছিল সেখান থেকে নিজেদের মুক্তির জন্য সংগ্রাম মুখর হয়ে পড়ে।সময়ের কালখেপনে মুক্তি যুদ্ধার প্রতিহতের কাছে পিছু হটতে থাকে পাক হানাদার বাহিনি। তখন বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা ছিল ৮ নং সেক্টর। আর সেই মুক্তি যোদ্ধারা অবস্থান করেছিল কুষ্টিয়া হাজার হাট এলাকায় বাবু অজয় সুরেকাদের পৈতিক ভিটাটি।এই বাড়িটিতে আশ্রয় নিয়ে তারা ঝাপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। বাবু অজয় সুরেকার বাবা মত্তুরাম সুরেকা ও তার পরিবার বর্গের সকলে মুক্তি যোদ্ধাদের সহায়তা করতেন।এবং অনেক বড় বড় মিশন এখান থেকে পরিচালিত হতো।এই ৮ নং সেক্টর এর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে ছুটে চলেছিলেন মুক্তি যোদ্ধারা।জানা কুষ্টিয়া জেলার মুক্তি যুদ্ধের সময় অবদান রেখেছিলেন বাবু অজয় সুরেকার বাবা মন্তুরাম সুরেকা ও তার পরিবার পরিজন।তারই ধারাবাহিকতায় কালের সাক্ষি হয়ে কুষ্টিয়া রাজারহাট এলাকায় এই বাড়িটি।যা মুক্তি যোদ্ধাদের আশ্রয় দেয়া সহ বিভিন্ন সহযোগিতা করেছিলেন বাবু অজয় সুরেকার পরিবার।