ঢাকা, বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet খোকসায় পুলিশের অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার Headline Bullet গত ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি;বানিজ্য মন্ত্রী Headline Bullet আইইডিসি‌আরে রুমে ঢুকে পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ Headline Bullet ভেড়ামারায় বিধবার দুই ছাগল চুরির অভিযোগে ২ জন গ্রেপ্তার Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা ডেগারের আঘাতে যুবক আশঙ্কাজনক Headline Bullet পাংশায় ইয়াবা সেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড Headline Bullet মেহেরপুরে খেলনা পিস্তল দিয়ে ভয় দেখাতে গিয়ে আটক ২ Headline Bullet মুন্সীগঞ্জে এক নারীর অগোচরে গোসলের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি Headline Bullet কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন Headline Bullet খোকসায় একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে আইসিটি অফিসারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

Oplus_131072

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উপজেলা আইসিটি অফিসার (সহকারী প্রোগ্রামার) ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাষক মাহমুদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১০টার দিকে জীবননগর আশতলাপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ ছিল।
মাহমুদুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ঝিটকীপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী নাসরিন আক্তার ও এক সন্তানকে নিয়ে জীবননগর পৌর এলাকার আশতলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
জানা গেছে, আজ সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাসার বাইরে চলে যান। পরে মাহমুদুর রহমান নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন। পরে খবর পেয়ে জীবননগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদুর রহমান জীবননগর উপজেলার সবচেয়ে ভালো এবং হাস্যউজ্জল কর্মকর্তা ছিলেন। তবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে প্রায় নাসরিন আক্তার ও তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর ঝামেলা করত। সম্প্রতি মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন নাসরিন আক্তারের পরিবার। তবে মীমাংসা হওয়ায় আবার একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন তারা।
বেলা ১টার দিকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মাহমুদুর রহমানের মরদেহ জীবননগর থানা থেকে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এদিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গায় পাঠানো পর্যন্ত মাহমুদুর রহমানের স্ত্রী বা তার পরিবারের কাউকে থানায় দেখা যায়নি।
মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার উজ্জল হোসেন বলেন, স্যার খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তবে স্যারের স্ত্রী মানসিকভাবে অত্যাচার করত। কোনোদিন সকালের খাবার রান্না করে দিতো না।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শাহিন মোল্লা বলেন, স্যার খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। কখনো কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত না। তবে তাঁর স্ত্রী মানসিকভাবে অত্যাচাট করত।
জীবননগর উপজেলা আইসিটি টেকনিশিয়ান মো. জাহিদ বলেন, স্যার আমাকে প্রায় বলত, আমি যদি কোনোদিন মরে যায়, ওই মহিলাকে জেলে পুরে তারপর আমার লাশ মাটি দেবে।
জানা গেছে, নাসরিন আক্তার বিবাহের পর হতে শশুর-শাশুড়ির ছাড়া আলাদাভাবে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করত। মাহমুদুর রহমান বিষয়টি মেনে নিতে পরত না। এ নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহের পর থেকে কলহ চলে আসছিল। এসব বিষয় নিয়ে নাসরিন আক্তার রাগ করে প্রায় তার বাবার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার মিরপুরে চলে যেত। সম্প্রতি এসব বিষয় নিয়ে কয়েকবার জীবননগর থানায় মীমাংসা হয়েছে।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। বেলা ১টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।


     এই বিভাগের আরো খবর