ঢাকা, বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet খোকসায় পুলিশের অভিযানে দুই মামলার আসামি গ্রেপ্তার Headline Bullet গত ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি;বানিজ্য মন্ত্রী Headline Bullet আইইডিসি‌আরে রুমে ঢুকে পরিচালককে মারধর করার অভিযোগ Headline Bullet ভেড়ামারায় বিধবার দুই ছাগল চুরির অভিযোগে ২ জন গ্রেপ্তার Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা ডেগারের আঘাতে যুবক আশঙ্কাজনক Headline Bullet পাংশায় ইয়াবা সেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড Headline Bullet মেহেরপুরে খেলনা পিস্তল দিয়ে ভয় দেখাতে গিয়ে আটক ২ Headline Bullet মুন্সীগঞ্জে এক নারীর অগোচরে গোসলের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি Headline Bullet কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন Headline Bullet খোকসায় একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় চামড়া এখন নদীতে

Oplus_131072

উপযুক্ত দাম তো দূরের কথা, চামড়া নেওয়ার মতো কোনো পাইকারি ক্রেতা বা বেপারি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত শতাধিক গরুর চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের মোমারিজপুর গ্রামের কাটাখালি নদীতে চামড়াগুলো ফেলে দেওয়া হয়। ওই দুই মৌসুমী ব্যবসায়ী হলেন, দাগনভূঞা উপজেলার মমারিজপুর গ্রামের খুরশিদ আলম ও দিদারুল আলম। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার মাতুভূঞা এলাকার একটি সেতু থেকে কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে গরুর চামড়া নিক্ষেপ করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়তি আয়ের আশায় মারিজপুর গ্রামের খুরশিদ ও দিদারুল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শতাধিক গরুর চামড়া সংগ্রহ করেছিলেন। আশা ছিল, পাইকারদের কাছে এসব চামড়া বিক্রি করে নিজেরা কিছুটা লাভবান হবেন। কিন্তু রাত জেগে বসে থেকেও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কোনো পাইকারি ব্যবসায়ীর দেখা না পেয়ে চামড়াগুলো নদীতে ফেলে দেন তারা।

ঘটনার খবর পেয়ে দাগনভূঞা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলম অভিযুক্ত ব্যবসায়ীদের বাড়িতে যান। তিনি পরিবেশ দূষণের বিষয়টি তুলে ধরে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চান।

এ সময় ব্যবসায়ীরা নিজেদের ভুল স্বীকার করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ক্ষমা চান। তারা জানান, লোকসানের কারণে হতাশ হয়ে এমন কাজ করেছেন এবং পরিবেশের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না।

ব্যবসায়ী খুরশিদ আলম বলেন, ‘আমরা না জেনে, না বুঝে নদীতে চামড়া ফেলেছি। এটা করা উচিত হয়নি। এটি যে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, তা আমরা জানতাম না। এমন ভুল আর কখনো করব না।’

দাগনভূঞা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলম বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন অপরাধমূলক কাজ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মূলত লোকসানের কারণে তারা এমন কাজ করেছেন। তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা তাদের সহযোগিতা করতে পারতাম।’


     এই বিভাগের আরো খবর