ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬ ()

THE BURNING BOYS

কিশোর গ্যাং কালচারের এক আধুনিক সংস্করণ হচ্ছে THE BURNING BOYS । স্কুল পাশ করে কলেজে পা দেওয়ার আগেই এরা গ্যাং কালচারে জড়িয়ে যায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তারা বৈধতা পাচ্ছে এই গ্যাং কালচার। ফেসবুকে এদের ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ২২০০। তাছাড়াও এদের আছে whatsapp টুইটার ইনস্ট্রাগ্রাম গ্রুপ সকলেই এই গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। স্কুল ও কলেজ ভিত্তিক আলাদা আলাদা লিডার নির্বাচন করে দেয় বার্নিং বয়েজের উপরের নেতারা তারা স্কুল কলেজ গুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং উপরের শাড়ির নেতাদেরকে রিপোর্ট করে। প্রতিটি স্কুলে ও কলেজেই এদের নির্বাচিত নেতা আছে যারা কিনা সহ সহ প্রতিষ্ঠানের ঝগড়া বিবাদ মিউচুয়াল করে থাকে এবং গ্রুপের প্রধানের কাছে রিপোর্ট করে।যারা স্কুল কলেজে লিখাপড়া করে তাদের এই গ্রুপের সদস্য হতে হয় যারা এই গ্রুপ কালচারে যারা বার্নিং বয়সের সদস্য না তাদের উপরে নির্যাতন করা হয় ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা। যাদের হাতে থাকার কথা এখন বই খাতা কলম সেই হাতগুলোই এখন দেশি বিদেশি অস্ত্র ধরা শিখছে। গ্যাং এর ভিতরে তারা অত্যন্ত সুশৃংখল কিন্তু বাইরে তারা উশৃঙ্খলতার এমন কোন পর্যায় নেই যা বাকি রেখেছে। এরা বড়দেরকে সম্মান করতে শেখেনাই বেয়াদবিই যেন এদের গ্যাং কালচার। এই কিশোর গ্যাং কে এখনই না থামানো গেলে একটি পর্যায়ে এরা ভয়ংকর রূপ ধারণ করবে। এদের মূল আস্তানা কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ভেতরের পুকুর পাড়ের আশেপাশে সেখানেই তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র মজুদ করে রাখে যা তারা বিভিন্ন অপারেশনে ব্যবহার করে। নামধারী কিছু ছাত্রনেতাও যুব নেতা এদের পৃষ্ঠপোষক তাই রাজনৈতিকভাবেও এরা বৈধতা পেয়ে যাচ্ছে। তাহলে এদের থামাবে কে? ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব আজকে প্রকাশিত হল। এখানে আরো উল্লেখ্য যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মারা যাওয়ার পরে বিএনপি যে সাতদিনের শোক ঘোষণা করে সাত দিনের শোক শেষ হওয়ার আগেই শেষ দিনে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠে দ্যা বার্নিং বয়েজ বিশাল এক কনসার্টের আয়োজন করে।


     এই বিভাগের আরো খবর