ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet দর্শনায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধনী খেলা অনুষ্ঠিত: ট্রাইবেকারে নাটোর একাদশের জয় Headline Bullet কুষ্টিয়ার মিরপুরে ডিবির অভিযানে চারটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার Headline Bullet বিয়ের আগের রাতেই মাদকসহ আটক বর Headline Bullet পুলিশের লোকের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাপ দেয় তাহসিফ আমি পালিয়ে আসি Headline Bullet পুলিশের চাকরিতে থাকা অবস্থায় আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ সক্রীয় থাকায় পুলিশ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ Headline Bullet আলমডাঙ্গায় পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেফতার করেছে তিন জনকে Headline Bullet মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অভিযানে ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ আটক Headline Bullet মহেশপুরে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ আটক এক Headline Bullet গাংনীতে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার এক Headline Bullet গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা,স্বামী শ্বশুরী পলাতক

সু-বিচার ও বারংবার মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা হতে অব্যাহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন


মেহেরপুর প্রতিনিধি \ সু-বিচার ও বারংবার মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা হতে অব্যাহতির জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছে মেহেরপুরে গাংনী উপজেলার করমদী গ্রামের আব্দুল হান্নান নামের এক ব্যবসায়ী। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আব্দুল হান্নান গাংনীর করমদি গ্রামের মৃত আফেল উদ্দিনের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হান্নান বলেন, বিএনপি জামাত মাদক ব্যবসায়ী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর রাতে একটি দোকানে বসা অবস্থায় এস আই মকবুল ও আর ওয়ান মোস্তফা আহম্মেদসহ ৪ জন পুলিশ সদস্য আমাকে আকড়ে ধরে। পরে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তোলে। এসময় আমার কাছে থাকা ৮৩ হাজার টাকা কেড়ে নেয় এসআই মকবুল। পরে একটি মাঠের ভিতর নিয়ে গিয়ে আর ওয়ান মোস্তফা আমাকে বলে ১০-১২ লাখ টাকা দিতে পারবি কিনা বল। তখন আমি বলি আমার কাছে ৮৩ হাজার টাকা ছিল সেটা মকবুল স্যার নিয়ে নিয়েছে। আমার কাছে আর টাকা নেই।
পরে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আমাকে থানায় হস্তান্তর করে। আমার সাথে আরও দুইজন আসামী ছিল। পর দিন আমাকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে আমার বড় ভাই মুন্নাতের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেয় আর ওয়ান মোস্তফা। তারপরও আমাকে অস্ত্র ও গাজাঁ মামলায় চালান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাভোগের পর সু বিচার পাওয়ার জন্য ২০১৯ সালের ১৬ এপ্রিলে বাংলাদেশ মানবাধিকারের মাধ্যমে মামলার কাগজপত্রাদি সহ প্রশাসনিক উচ্চ মহলে আবেদন করি। একই বছর ৮ জুলাই মেহেরপুর আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করি। যার নাম্বার ২০৭/১৯।
বর্তমানে মামলাটি মেহেরপুর সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে। আমার সিআর মামলার আসামীরা একই বছর ২ ডিসেম্বর আমার নামে পুনরায় জি আর মামলা দায়ের করেন। এরপর বিভিন্ন কায়দায় আমার নাম ফাইনাল চার্জশিটে যোগ করে দেয়। এমতাবস্থায় মেহেরপুর জি আর ৩১৮/১৮, ৩১৯/১৯ ও ২৭৩/১৯ মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি।


     এই বিভাগের আরো খবর