নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্কুলছাত্র আরাফাত রহমান হত্যা মামলায় রিপন নামে একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীমের আদালতে এ আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে অপরাধ প্রমাণ না হওয়ায় রাব্বী নামে একজনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় তারা অনুপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউপির লাউসার গ্রামের রফিকুল ইসলাম মনার ছেলে স্কুলছাত্র আরাফাতকে গত ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে বিজয় দিবসের একটি কনসার্টে নিয়ে যায় একই গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া। বড় ভাইয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে ওই রাতেই বাড়ির পাশে পুরাতন স্কুল ভবনে নিয়ে আরাফাতকে প্রথমে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে দেয়। পরে গলাটিপে হত্যা করে মসজিদের পুকুরে লাশ ফেলে দিয়ে রিপন নিজেই পরিবারের সঙ্গে আরাফাতকে খোঁজাখুঁজি করে।
তিনি জানান, তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর আরাফাতের লাশ ভেসে ওঠে। পরে ১৯ ডিসেম্বর এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় রিপনকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে একাই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে আদালত থেকে জামিন পেয়ে পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, স্কুলছাত্র আরাফাত হত্যা মামলায় রিপনকে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। অপর আসামি রাব্বী দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় শুনানির সময় আসামি পলাতক ছিলেন।