bbccrimenews:-কুষ্টিয়া শহরের ১০ নং ওয়ার্ড চর মিলপাড়া আবাসনের এলাকায় সরকারি খাস জমি রাতের আধারে দখলের অভিযোগ উঠেছে খোদ আবাসনের ফেসটুর সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি গামা হোসেন, সাধারন সম্পাদক রাজীব হোসেন, এলাকার প্রভাবশালী ক্ষমতাধর রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত সোহেল ও তার আপন ভাই রাজা, মৃত আনোয়ার হোসেন মিট্টির ছেলে নয়ন গংদের বিরুদ্ধে। সুত্রে জানা যায়, শহিদুল, গামা, রাজীব,সোহেল,রাজা,নয়ন এবং এক সময়ের মিলপাড়া এলাকার ত্রাস কুষ্টিয়া কমার্শিয়াল ব্যাংক ডাকাতির আসামী মৃত রেজাউলের পুত্র লিটন গংরা এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিকতার পদে থেকে এলাকার মধ্যে বিভিন্ন অনৈতিক কার্য্যকলাপ পরিচালনা করে চলেছে।নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এলাকার মধ্যে এমন কোন এহেন কাজ নেই যে করেন না তারা। মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে , সন্ত্রাসী কার্য্যকলাপ, জুয়া খেলা, মারামারি, ছিনতাই সবকিছুই চলে তাদের নেতৃত্বে। বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতের কঠোর পদক্ষেপের কারনে কুষ্টিয়ায় মাদক ও সন্ত্রাসী কার্য্যকলাপ কমে গেলেও মিলপাড়া এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক অংগ সংগঠনের ছত্রছায়ায় আবাসন এলাকার মধ্যে অনৈতিক কার্য্যকলাপ পরিচালনা হচ্ছে বহাল তবিয়তে। এলাকাবাসীর অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চড় মিলপাড়ার আবাসন এলাকায় একটি আবাসনের ছেলে-মেয়েদের খেলার জন্য বড় একটি ফুটবল খেলার মাঠ ছিলো। কিছুদিন আগে নদী খননের সময় কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ সরকারি প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ফুটবল খেলার মাঠটি বাউন্ডারি দিয়ে বালি ভড়াট করে ফেলে। ফুটবল খেলার মাঠটি অনেক বড় হবার কারনে মাঠের একটি ফাকা অংশ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। অবশেষে পরিত্যক্ত মাঠ একপর্যায়ে বিভিন্ন গাছের ডাল এবং বাশ খুটি দিয়ে প্রায় ২০ কাঠা মত জায়গা দখল করে আবাসনের, সভাপতি শহিদুল, সহ সভাপতি গামা,সাধারন সম্পাদক রাজীব, সোহেল,রাজা,নয়ন লিটন গংরা। এই জায়গার বিষয়ে এলাকাবাসীর কেউ কথা বলতে গেলে তারা তাদের বলতো যে আবাসনে যাদের পরিবারে অধিক সংখ্যক লোকজন এবং অনেক অসহায় পরিবার তাদের মধ্যে ভাগ করে জায়গা গুলো দেওয়া হবে যাতে তারা ঘড় বাড়ি করে থাকতে পারে। এলাকাবাসী তাদের কথা শুনে তাদের আরও সাপোর্ট করতো। কিন্তু বর্তমানে সেই পরিত্যাক্ত জায়গায় হঠাৎ করে বেশ কয়েকটি নতুন নির্মান বাড়ি গড়ে উঠায় এলাকাবাসীর মনে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন জেগে উঠে। পরে এলাকাবাসী খোজখবর নিয়ে জানতে পারে আবাসনের সভাপতি শহিদুলের দুই বউয়ের ২ টি ছেলের ২ টি বাড়ি , তার বিয়েনের জন্য একটি বাড়ি,সহ সভাপতি গামার ছেলের জন্য ১ টি বাড়ি এবং সাধারন সম্পাদক রাজীবের ছেলের জন্য ১ টি বাড়ি সরকারি জায়গায় গড়ে উঠেছে। এমতবস্থায় এলাকার সাধারন জনগন এক প্রকার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে উল্লিখিত ব্যাক্তিদের উপরে। । এ বিষয়ে আবাসনের সভাপতি শহিদুলের সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আপনারা যে জায়গার কথা বলছেন আমি এই জায়গা এলাকার যুবসমাজ ও আমার ছেলেদের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বরাদ্দ নিয়েছি বসবাসের জন্য। এ ব্যাপারে স্থানীয় সচেতন মহল ও সুধি সমাজের কর্তাব্যাক্তিরা কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।