ঢাকা, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ ()

কুষ্টিয়ায় অবৈধ ১১ লাখ শলাকা বিড়ি আটকঃ


লকডাউনের মধ্যেও কুষ্টিয়ায় রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া প্রায় ১০ লাখ ৯০ হাজার শলাকা বিড়ি আটক করা হয়েছে। দুইদিনের পৃথক অভিযানে এসব বিড়ি আটক করা হয়েছে। যশোর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের আওতাধীন কুষ্টিয়া বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রিভেন্টিভ টিম এসব বিড়ি আটক করেছে। যশোর ভ্যাট কমিশনার মো. জাকির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কমিশনার জানান, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে করোনাভীতি উপেক্ষা করে নিবারক দল কাজ করে যাচ্ছেন। লকডাউন সময়কালীন অবস্থায় একটি সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসাজশে লোকচক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে সুবিধাজনক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া বিড়ি বাজারজাত করে আসছে বলে তথ্য পেয়েছি। এরই প্রেক্ষিতে নিবারক দলকে নজরদারি বৃদ্ধি করতে বলা হয়।
শুক্রবার (৯ এপ্রিল) ছুটির দিনে ভেড়ামারা উপজেলার ১২ মাইল সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড এবং লালন শাহ সেতুকে রুট হিসেবে ব্যবহার নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত বিভিন্ন ব্রান্ডের বিড়ি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে বলে খবর আসে। পরে কুষ্টিয়া সার্কেল-২ ভেড়ামারা রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নওশের আলী মুন্সীর নেতৃত্বে একটি নিবারক দল সকাল ৬টা থেকে ভেড়ামারা উপজেলার ১২ মাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এবং রাত ১১ টায় লালন শাহ সেতু সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়।
দীর্ঘসময় রাস্তার পাশে সুকৌশলে অবস্থান নেয়ার পর দুইটি পৃথক সময়ে পাঁচটি ব্রান্ডের ১৮ বস্তায় ৬ লাখ ৬০ হাজার শলাকা পুন: ব্যবহৃত ব্যান্ডরোলযুক্ত বিড়ি মূসক চালানবিহীন অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটককৃত বিড়ি গণনা করে ৩ লাখ শলাকা মোল্লা বিড়ি, ৯০ হাজার শলাকা জনি বিড়ি, ১ লাখ ৩০ হাজার শলাকা বেনু বিড়ি, ৪০ হাজার শলাকা নাহার বিড়ি, ১ লাখ শলাকা রাজু বিড়ি পাওয়া যায়। বিড়ির মোট বাজারমূল্য দুই লাখ ৮০ হাজার ৮০০ টাকা, যাতে রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ দুই লাখ ১৩ হাজার ৮৪০ টাকা।

প্রাপ্ত বিড়ির প্যাকেটে যে ব্যান্ডরোল ছিল প্রাথমিক পরীক্ষায় তা পুন: ব্যবহৃত ব্যান্ডরোল বলে চিহ্নিত হয় এবং পরবর্তীতে আটককৃত বিড়িসমূহ কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল কুষ্টিয়া-২, ভেড়ামারা দপ্তরে নিয়ে এসে জমা প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে মূসক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর