ঢাকা, রবিবার, ১০ মে, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet পুলিশ কোন দলের হয়ে নাহ চলবে আইন অনুযায়ী Headline Bullet কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এস এম ফুয়াদ শামীম Headline Bullet কুষ্টিয়ার খোকসায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক এক Headline Bullet কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প Headline Bullet কুষ্টিয়ায় ৭০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ২ Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় জন্মনিবন্ধন জালিয়াতির অভিযোগে আটক ২ Headline Bullet যশোর চৌগাছায় বিশেষ অভিযানে ৫০ পিছইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন গ্রেফতার Headline Bullet কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্র জয়ন্তীর ২ য় দিনের প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন Headline Bullet কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাদকের আসামি ছাড়াতে গিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা থানা হেফাজতে Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ কোন দলের হয়ে নাহ চলবে আইন অনুযায়ী

Oplus_131072

পুলিশ কোনো দলের অনুগত হবে না, বরং প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে—এই বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে আজ রোববার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মিলনায়তনে আয়োজিত পুলিশের ‘কল্যাণ প্যারেডে’ তারেক রহমান এসব কথা বলেন। রুদ্ধদ্বার এই আয়োজনে উপস্থিত থাকা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে এই তথ্য জানান।আজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয় পুলিশের কল্যাণ প্যারেড (পুলিশের কল্যাণে সভা)। চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া সারা দেশ থেকে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পুলিশের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা নিজেদের দাবি–দাওয়া তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের হীন স্বার্থে পুলিশ বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন সময় এসেছে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার। জনগণের বিশ্বাস অর্জনই এখন পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা সম্পন্ন একটি আধুনিক, মানবিক ও সুদক্ষ পুলিশ বাহিনী ছাড়া জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন। সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। পুলিশের যৌক্তিক চাওয়া-পাওয়া ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, পুলিশ চাইলে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব করা পালন সম্ভব।

একই সঙ্গে তারেক রহমান বলেন, অতীতে দেশের মানুষ পুলিশের ভিন্ন চিত্র দেখেছে। বাংলাদেশ যেন আর কখনো ফ্যাসিবাদী শাসনে ফিরে না যায়, সেটিই হোক পুলিশ সপ্তাহের অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অতীতে দলীয় স্বার্থে পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছিল। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। পুলিশের কাজ ‘দুষ্টের দমন আর শিষ্টের লালন’। থানায় গিয়ে যেন সাধারণ মানুষ কিছুটা হলেও রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। কারণ মানুষ বিপদে পড়েই থানায় যায়। সেখানে গিয়ে তার বিপদ কমবে—এমন বিশ্বাস মানুষের মধ্যে তৈরি করতে হবে।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি মানবতার ছোঁয়া থাকলে পুলিশের কাজ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি পুলিশকে মাঠপর্যায়ে সরকারের ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পুলিশ কোনো দলের অনুগত হবে না, বরং আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি থানাগুলো এমনভাবে গড়ে তোলার কথাও বলেন, যাতে কোনো ব্যক্তি সুপারিশ বা মধ্যস্থতা ছাড়াই নির্ভয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন, আর প্রতিকারও পান।

কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাউস ডের মতো উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পুলিশের আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর