বাবা সমিতি থেকে লোন নিয়ে ব্যাটারি চালিত রিক্সা কিনে চালাতে পারতো না,,,সেই থেকে রিক্সা চালিয়ে লোন পরিশোধ করে কোনোরকম সংসার চালাতো,,,কালকে চারজন ৭.৩০ থেকে ৮টার মধ্যো শহর থেকে ভাড়া মিটিয়ে বাড়াদি ভাগার মোড়ে নিয়ে আরো দুইজনসহ ৬জন মিলে চাইনিচ কুড়াল দিয়ে মেরে মৃতভেবে ফেলে রেখে রিক্সা নিয়ে চলে যায়। কিছুসময় পর বৃষ্টিতে জ্ঞান ফিরে পেলে তার ডাকে স্থানীয় একদোকানদার হাসপাতালে ভর্তি করে,,,ছবিতে কাটার দাগগুলো ছোট মনে হতে পারে কিন্তু তার বর্তমান অবস্থা মাথার মাঝথেকে চোখের ভ্রু পর্যন্ত ভেটে গেছে,চোখে দেখতে পারছে না,,কাল সকালে অপারেশন হতে পারে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে।