বগুড়ার সদরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আহত বিএনপির এক কর্মী মারা গেছেন। টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানান বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম।
এর আগে সোমবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সদর উপজেলার ফাঁপোর খন্দকারপাড়া এলাকায় ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) ওই এলাকার প্রয়াত চিকিৎসক ইয়াছিন আলীর ছেলে। তিনি ফাঁপোর ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখে ফেরার পথে মুন্নার সঙ্গে স্থানীয় সায়েমের দেখা হয়। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মুন্নার পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
মুন্নার স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিনের দাবি, “রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছেলের জন্য রুটি কিনতে গিয়ে ফেরার পথে পাঁচ থেকে ছয়জন মুন্নাকে ঘিরে ধরে ছুরিকাঘাত করে। সেখান থেকে দৌড়ে বড় ভাই মাহিদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।”
পাওনা টাকা নিয়ে গত বছর করা একটি মামলা তুলে নিতে প্রতিপক্ষের লোকজন মুন্নাকে নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিল বলে দাবি বড় ভাই মাহিদুল ইসলামের।
পুলিশ পরিদর্শক মাহফুজ আলম বলেন, ঘটনার পর থেকে সায়েম ও তার পরিবারের সদস্যরা পালাতক আছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে মুন্নার লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।