বাঁধ ভেঙ্গে নদীর পানি প্রবল বেগে লোকালয়ে ঢুকছে। একটু উঁচু স্থানের আশায় মানুষ ছুটছেন। বসত বাড়িতে পানি ঢুকছে হুহু করে। ভেঙে পড়ছে ঘরের চাল। তাই সংসারের আসবাবপত্র নিয়ে ঘর ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বরগুনার মাঝের চর এলাকার রেনু বেগম।
রেনু বলেন, ‘আমার সব ভাঙ্গেচুইরে লইয়ে যাচ্ছে। যা নিতে পারছি তা নিয়ে উঁচু জায়গায় উঠছি। কি করমু, যাওয়ারতো কোনো জায়গা নেই।’
একই অবস্থা চরের কয়েক হাজার মানুষের। ঘরের উঠান, রাস্তাঘাট, ঘরের চুলা ও ঘরের মধ্যে পর্যন্ত পানি ঢুকে পাড়ায় অসবাবপত্র নিয়ে ঘর ছাড়ছেন অনেকেই।
প্রতিদিন পানিতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা তলিয়ে থাকছে পাকতে শুরু করা একরের পর একর জমির ধান। কৃষকরা বলছেন বাঁধ মেরামত না হলে আবাদ হবে না রবি ফসলও।
ত্রাণ নয়, স্থায়ী বাঁধের দাবি এলাকার মানুষের। বুধবার থেকে বরগুনার প্রধান দুটি নদী পায়রা ও বিষখালীতে জোয়ারের পানির চাপ বাড়ে। এতে এখন পর্যন্ত মাঝের চরের ৬টি ও পাথরঘাটার পদ্মা এলাকায় ৪টি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে।