ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক রাজুর ফরিদপুরে মোটর শোভাযাত্রা Headline Bullet ফরিদপুরে ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে হাফেজ মাওলানা আলী হোসেন নামে Headline Bullet গাজীপুরে স্ত্রী, দুই সন্তান ও শ্যালক হত্যায় অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ রাজশাহী পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার Headline Bullet ভারতে চলন্ত বাসেধর্ষন Headline Bullet সাংবাদিক আনিস আলমগীরের স্থায়ী জামিন মন্জুর Headline Bullet চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গ্রেফতার ৩ Headline Bullet ভারতীয় সিমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশি নিহত Headline Bullet মুজিবনগরে রোগীদের সাথে প্রতারনায় ডাক্তারকে জরিমানা Headline Bullet টিন নিলেই কর দেয়া লাগবে,থাকছেনা শূন্য রির্টান Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব আটিজম দিবস পালিত

গাজীপুরে স্ত্রী, দুই সন্তান ও শ্যালক হত্যায় অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ রাজশাহী পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার

গাজীপুরে স্ত্রী, দুই সন্তান ও শ্যালক হত্যায় অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ রাজশাহী পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাঁচ খুনের ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছিল। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর ওপর একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিআইডি। পরে যাচাই-বাছাই করে জানা যায়, সেগুলো পলাতক ফোরকানের। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ওই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নৃশংস এ ঘটনায় নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। এরপর প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে গিয়ে বীভৎস দৃশ্য দেখতে পান।

ঘরের মেঝেতে তিন শিশুকন্যার গলাকাটা মরদেহ পাশাপাশি পড়ে ছিল। মা শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় ঝুলছিল এবং শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ পড়ে ছিল বিছানার ওপর। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নিহতদের স্বজনরা। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েশ ও কোকাকোলার বোতল উদ্ধার করা হয়েছিল।

ঘটনার দিন মরদেহের পাশে বেশ কিছু প্রিন্ট করা কাগজ পড়ে থাকতে দেখেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই কাগজের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, ফোরকান হোসেন এর আগে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের একটি অভিযোগ করেছিলেন। একই সঙ্গে ওই অভিযোগপত্রে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।


     এই বিভাগের আরো খবর