ঢাকা, রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ ()

সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ১০ ঘন্টার মধ্যে আসামি পান্না আটক, সাংবাদিক মহলের ধন্যবাদ জ্ঞাপন

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানাধীন উজানগ্রাম ইউনিয়নের বৃত্তিপাড়া বাজারে স্থানীয় দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী দ্বাড়া সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটে। গতকাল রবিবার (০৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬ টায় এই ঘটনা ঘটে। বেশ কিছুদিন ধরে ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় অস্ত্র মহড়াও চলছে। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনার প্রধান আসামি মোঃ পান্না সরদারকে ঘটনার ১০ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উজান গ্রাম ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মজিদ গ্রুপ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বক্কর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে গতকাল মজিদ গ্রুপের লোকজন বক্কর গ্রুপের লোকজনের উপর আক্রমণ করে। এরপর বক্কর গ্রুপের লোকজন পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিলে দু’পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া শুরু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইবি থানা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সময়ের কাগজ পত্রিকার ইবি থানা প্রতিনিধি মাসুম রহমান ভিডিও ধারণ করতে গেলে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয় এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন পান্না (৩৮) নামের ওই যুবক। এছাড়াও নিজেকে সচিবের ভাই পরিচয় দিয়ে তিনি ও তার সহযোগী মোঃ টিক্কা (৪৩) ওই সাংবাদিককে মারতে উদ্যত হয়। এ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আল মামুন সাগর ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান ডাবলু তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে দাবি জানান।

এবিষয়ে ইবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আননূর যায়েদ জানান, আমরা ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি ইতিমধ্যে আমাদের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিব স্যারের নির্দেশনায় আমি ও এস.আই ইউসুফ সঙ্গীও ফোর্স সহ অভিযান চালিয়ে গজনবীপুর পলাতক অবস্থায় ঘটনার ১০ ঘন্টার মধ্যে ভোর সাড়ে তিনটায় পান্নাকে আটক করেছি। এখন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


     এই বিভাগের আরো খবর