ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet কুষ্টিয়া জেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিদুল হক শিমুলের জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান Headline Bullet দর্শনায় বিজিবির অভিযান: মোটরসাইকেলসহ বিপুল পরিমাণ মদ ও কফ সিরাপসহ আটক ১​ Headline Bullet রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নেমে প্রান গেলো বাংলাদেশি যুবকের Headline Bullet চুয়াডাঙ্গায় ৩৭৭ পিস ইয়াবাসহ মুদি দোকানদারসহ গ্রেপ্তার ৩ Headline Bullet দর্শনায় ৩০০টি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করলেন ওসি নজরুল ইসলাম!​ Headline Bullet গাংনীর কাজিপুরে বিজিবির অ’ভি’যা’নে ৬ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার Headline Bullet পরীমনির ৫১ সেকেন্ডের নতুন ভিডিও ভাইরাল Headline Bullet মোবাইল নম্বর ব্লক করায় দুই বান্ধবীকে মারধর Headline Bullet সাজেকে পর্যটকবাহী একটি জিপউল্টে সাতজন আহত Headline Bullet দামুড়হুদার মুন্সিপুর সীমান্তে কোটি টাকার স্বর্ণসহ আটক ১

এডুকেয়ার তুমি কার ? যখন যার তখন তার

লেখাপড়া কে ব্যবসায় পরিণত করে তিনি কুষ্টিয়াতে আইডলে পরিনত হয়েছেন এডুকেয়ারের মালিক রাসেল।একটা সময় তিনি সামান্য কোচিং শিক্ষক ছিলেন সেখান থেকে কুষ্টিয়ার আলোচিত নাম মাহাবুবুল আলম হানিফ ও আতাউর রহমান আতার ছত্র ছায়ায় বনে যান কোচিং এর মালিক।বাকীটা তো ইতিহাস হানিফ আতার হাত ধরে তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে তোলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।যেখানে বিভিন্ন নিয়মকানুনের আড়ালে ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকদের কাছ থেকে লুটে নেওয়া হয় অর্থ।টাকা ছাড়া কোন কথা নেই এডুকেয়ারের রাসেলের তৎকালীন প্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের দোসর হানিফ আর আতার হকিস্টিক বাহিনীর কিছু সদস্যকে নিয়োগ দিয়েছিলেন তার স্কুল পাহারা দেয়ার জন্য বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা চিল্লাচিল্লি শিক্ষক এবং বাচ্চাদের উশৃঙ্খলতা মাঝেই বসবাস করতে হয় আশেপাশের মানুষদের।

হানিফ আতার দোসর রাসেলের হকিস্টিক বাহিনীর দাপটের কারণে কেউ কোন প্রতিবাদ করার সাহস পেত না।শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রী সকলকে নির্দিষ্ট পোষাক রাসেলের নির্ধারণ করা দোকান থেকেই কিনতে হবে।বই খাতা কলম এমনকি স্কুল ব্যাগ পর্যন্ত রাসেলের কাছ থেকেই কিনতে হবে,এমন প্রথায় চলে আসছে এত বছর যাবত।শীতের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের ব্লেজার পড়ে যাওয়ার নিয়ম করেছে রাসেল,যে ব্লেজার আপনি দোকান থেকে কিনতে পারবেন ৫/৬ শত টাকা দিয়ে সেটাই রাসেল জোরপূর্বক ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট বিক্রি করবে ১৫০০ টাকায়।যেহেতু এডুকেয়ার নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাই নামে বে নামে খেলাধুলা বিতর্ক প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করা হয় কিন্তু কোনটাই সম্পন্ন হয় না কিন্তু শিক্ষার্থীদের থেকে টাকা নিয়ে নেয়া হয় অগ্রিম।৫ তারিখের পরে প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের দিনে জনরসে পড়ে এডুকেয়ার মানুষ ভাঙচুর চালাতে যায় আগুন দিতে যায় তখন কিছু ধান্দাবাজ প্রচার শুরু করে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার রাসেলের মামা হন এই প্রচারণার পরে এডুকেয়ার ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে রাসেলের ডাকে এডুকেয়ারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গেছে কিন্তু সেটা আত্মীয়তার কারণে না একই গ্রামে দুইজনের বাড়ি তাই রাসেল এই সুযোগটি কাজে লাগায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারে এর মাধ্যমে বিপুল ভোটে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে পরাজিত দেখানো যেটা নেহায়েত অবাস্তব।নির্বাচনের পরে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আমির হামজা সাহেব হয়ে যান রাসেলের কাছের বন্ধু।এখন এডুকেয়ারের অনুষ্ঠান গুলিতে আমির হামজাকে দেখা যাচ্ছে এবং একটি মহল প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে আমির হামজা নাকি প্লেয়ারের রাসেলের ছোটবেলার বন্ধু।এভাবেই রাসেল রা দিনের পর দিন বিভিন্নজনার ছাত্রছায় থেকে শিক্ষার নামে ব্যবসা করে কোটিপতি বলে যান!

হানিফ আতার দোসর রাসেলের হকিস্টিক বাহিনীর দাপটের কারণে কেউ কোন প্রতিবাদ করার সাহস পেত না।শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রী সকলকে নির্দিষ্ট পোষাক রাসেলের নির্ধারণ করা দোকান থেকেই কিনতে হবে।বই খাতা কলম এমনকি স্কুল ব্যাগ পর্যন্ত রাসেলের কাছ থেকেই কিনতে হবে,এমন প্রথায় চলে আসছে এত বছর যাবত।শীতের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের ব্লেজার পড়ে যাওয়ার নিয়ম করেছে রাসেল,যে ব্লেজার আপনি দোকান থেকে কিনতে পারবেন ৫/৬ শত টাকা দিয়ে সেটাই রাসেল জোরপূর্বক ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট বিক্রি করবে ১৫০০ টাকায়।যেহেতু এডুকেয়ার নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাই নামে বে নামে খেলাধুলা বিতর্ক প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করা হয় কিন্তু কোনটাই সম্পন্ন হয় না কিন্তু শিক্ষার্থীদের থেকে টাকা নিয়ে নেয়া হয় অগ্রিম।৫ তারিখের পরে প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের দিনে জনরসে পড়ে এডুকেয়ার মানুষ ভাঙচুর চালাতে যায় আগুন দিতে যায় তখন কিছু ধান্দাবাজ প্রচার শুরু করে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার রাসেলের মামা হন এই প্রচারণার পরে এডুকেয়ার ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে রাসেলের ডাকে এডুকেয়ারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গেছে কিন্তু সেটা আত্মীয়তার কারণে না একই গ্রামে দুইজনের বাড়ি তাই রাসেল এই সুযোগটি কাজে লাগায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারে এর মাধ্যমে বিপুল ভোটে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে পরাজিত দেখানো যেটা নেহায়েত অবাস্তব।নির্বাচনের পরে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আমির হামজা সাহেব হয়ে যান রাসেলের কাছের বন্ধু।এখন এডুকেয়ারের অনুষ্ঠান গুলিতে আমির হামজাকে দেখা যাচ্ছে এবং একটি মহল প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে আমির হামজা নাকি প্লেয়ারের রাসেলের ছোটবেলার বন্ধু।এভাবেই রাসেল রা দিনের পর দিন বিভিন্নজনার ছাত্রছায় থেকে শিক্ষার নামে ব্যবসা করে কোটিপতি বলে যান!

হানিফ আতার দোসর রাসেলের হকিস্টিক বাহিনীর দাপটের কারণে কেউ কোন প্রতিবাদ করার সাহস পেত না।শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রী সকলকে নির্দিষ্ট পোষাক রাসেলের নির্ধারণ করা দোকান থেকেই কিনতে হবে।বই খাতা কলম এমনকি স্কুল ব্যাগ পর্যন্ত রাসেলের কাছ থেকেই কিনতে হবে,এমন প্রথায় চলে আসছে এত বছর যাবত।শীতের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের ব্লেজার পড়ে যাওয়ার নিয়ম করেছে রাসেল,যে ব্লেজার আপনি দোকান থেকে কিনতে পারবেন ৫/৬ শত টাকা দিয়ে সেটাই রাসেল জোরপূর্বক ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট বিক্রি করবে ১৫০০ টাকায়।যেহেতু এডুকেয়ার নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাই নামে বে নামে খেলাধুলা বিতর্ক প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করা হয় কিন্তু কোনটাই সম্পন্ন হয় না কিন্তু শিক্ষার্থীদের থেকে টাকা নিয়ে নেয়া হয় অগ্রিম।৫ তারিখের পরে প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের দিনে জনরসে পড়ে এডুকেয়ার মানুষ ভাঙচুর চালাতে যায় আগুন দিতে যায় তখন কিছু ধান্দাবাজ প্রচার শুরু করে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার রাসেলের মামা হন এই প্রচারণার পরে এডুকেয়ার ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে রাসেলের ডাকে এডুকেয়ারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গেছে কিন্তু সেটা আত্মীয়তার কারণে না একই গ্রামে দুইজনের বাড়ি তাই রাসেল এই সুযোগটি কাজে লাগায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারে এর মাধ্যমে বিপুল ভোটে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে পরাজিত দেখানো যেটা নেহায়েত অবাস্তব।নির্বাচনের পরে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আমির হামজা সাহেব হয়ে যান রাসেলের কাছের বন্ধু।এখন এডুকেয়ারের অনুষ্ঠান গুলিতে আমির হামজাকে দেখা যাচ্ছে এবং একটি মহল প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে আমির হামজা নাকি প্লেয়ারের রাসেলের ছোটবেলার বন্ধু।এভাবেই রাসেল রা দিনের পর দিন বিভিন্নজনার ছাত্রছায় থেকে শিক্ষার নামে ব্যবসা করে কোটিপতি বলে যান!


     এই বিভাগের আরো খবর