ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet মেহেরপুরে পরকীয়ার জেরে গৃহবধূসহ সাবেক এনজিও কর্মী আটক Headline Bullet আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাট Headline Bullet ফরিদপুরের ব্যাবসায়িকে রেখে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুই নারী গ্রেফতার Headline Bullet কুষ্টিয়ার মিরপুরে হাদিস ও দ্বীনি আলোচনায় বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষ Headline Bullet মহেশপুর সীমান্তে যাদবপুর বিওপির অভিযানে ভারতীয় ৬৫৩ পিস ওষুধ উদ্ধার Headline Bullet রাজধানীর উত্তরায় আলোচিত ‘দে লাড়া’ কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা আটক Headline Bullet নারায়ণগঞ্জের অটোরিকশা ও ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ Headline Bullet দর্শনায় মারওয়া ট্রাভেলস ও মুসাফির আল হারমাইনের উদ্যোগে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Headline Bullet যারা আমার স্বামীকে মেরেছে, তাদেরকে খবর দাও আমাদেরও মেরে ফেলুক Headline Bullet থানায় ঢুকে পুলিশকে বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধরের অভিযোগে যুবক আটক

আচরণ বদলাচ্ছে করোনা? লক্ষণ নেই কিন্তু আক্রান্ত, ঘটছে আকস্মিক মৃত্যু

bbccrimenews:-করোনাভাইরাসের নতুন আচরণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চিকিৎসক মহলে। ভারতের বিজ্ঞানীরা করোনার নতুন আচরণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। কোনো ব্যক্তির মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ না থাকলেও আচমকাই মৃত্যু হচ্ছে তাঁর। পরে দেখা যাচ্ছে, তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা বেশ কয়েকটি ঘটেছে। এতে রীতিমতো চিন্তায় পড়েছেন রাজ্যের চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রোগীর মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ না পাওয়া গেলেও হঠাৎই শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে তাঁর। চিকিৎসা শুরুর আগেই মৃত্যু হচ্ছে রোগীর। মেডিক্যাল রিপোর্ট জানাচ্ছে, যদি কোনো ব্যক্তির থেকে অন্তত ২০০ জন করোনা আক্রান্ত হন, তবে তাঁর এভাবে মৃত্যু হতে পারে। মেডিক্যাল পরিভাষায় এই ব্যক্তিকে বলা হচ্ছে সুপারস্প্রেডার।

উল্লেখ্য, অন্ধ্র প্রদেশের পূর্ব গোদাবরি জেলার পেডাপুডি ও সংলগ্ন এলাকায় এ রকম এক ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে, যার মধ্যে করোনার কোনো লক্ষণ ছিল না। অথচ তিনি সুপারস্প্রেডার ছিলেন। স্থানীয় কাঁকিনাড়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আধা ঘণ্টার মধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, এ ধরনের অ্যাসিম্পোটোম্যাটিক রোগীরা প্রাথমিকভাবে সুস্থ বলেই মনে করা হয়। কিন্তু ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন অংশের ক্ষতিসাধন করে চলে। আচমকাই তাদের রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে চিকিৎসার বিন্দুমাত্র সুযোগও মেলে না। তাঁরা খুব দ্রুত মারা যান।

এদিকে গোটা বিশ্ব এখন মারণভাইরাস করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রহর গুনছে। প্রথম দফায় বিশ্বজুড়ে কার্যত ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে ভাইরাস। দ্বিতীয় দফায় কতটা ভয়ংকর হতে পারে, সেটা ভেবেই আতঙ্কিত মানুষজন। কবে এই মারণরোগ থেকে মুক্তি মিলবে, তার কোনো সংকেত এখনো পাওয়া যায়নি। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ।

কিন্তু নির্দিষ্ট ভ্যাকসিনেই যে এই ভাইরাস মারা যাবে সে বিষয়েও ধারণা মেলেনি এখনো। তবে বিজ্ঞানীদের আশা, খুব শিগগিরই হয়তো এর থেকে রক্ষা করা যাবে বিশ্বের মানুষকে। বিশেষ করে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা অন্তত সেটাই বলছে। তাদের মতে, আগামী অক্টোবরেই আত্মপ্রকাশ করবে কভিড-১৯-এর প্রতিষেধক। ইতিমধ্যে অক্সফোর্ড তাদের সম্ভাব্য চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯ ভ্যাকসিনের তৃতীয় দফার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে। একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে।

তবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন ন্যাজাল স্প্রে বা ইনহেলার হিসেবে দেওয়া হলে আরো ভালো কাজ করবে বলে মনে করছেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা। আর সেই লক্ষ্যেই এখন কাজ করছেন তাঁরা। অক্সফোর্ডের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, ইতিমধ্যে তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়েছে কয়েক দফায়।


     এই বিভাগের আরো খবর