আজ বেশ কিছুদিন বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্র,ইজরায়েলের সাথে ইরানের যুদ্ধ চলছে।যুদ্ধের এই ঘাত প্রতিঘাতের প্রতিফলন সারা বিশ্বে প্রভাব পড়ছে।সারা বিশ্বে চলছে যুদ্ধের সাজ সাজ রব।যার পরিপেক্খিতে বিশ্বযুরে চলছে অর্থনৈতিক মন্দা ও তেলের সংকট।বিশ্বের প্রায় সত্তর সতাংশ তেল ইসলামি দেশ গুলো সরবরাহ করে থাকে।এর ইরান অন্যতম।আর ইরানের যুদ্ধর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে।সংকট তৈরি হয়েছে জ্বালানি তেলের। যার দরুন কুষ্টিয়ার পাম্প গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে।তেলের সংকটে ভোক্তারা দিগ বেদিক ছুটছে জ্বালানি তেলের সন্ধানে। কুষ্টিয়া ষ্টোর,আব্দুর রহমান ও মন্ডল পাম্প ছাড়া সব পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।ঐ পাম্প গুলোতে তেল মিললেও কখনো ১০০,২০০,অথবা ৫০০ বেশি তেল দিচ্ছে না।অথচ বাংলাদেশ সরকার বলছে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুদ আছে।ইন্ডিয়া থেকে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন তেল সরবরাহ করা হয়েছে। গতকাল এছেছে চট্রগ্রাম পোট বন্দরে চার তেলবাহী জাহাজ বন্দরে এসে উপস্থিত হয়েছে।তাহলে কুষ্টিয়া বাসির এই দূর্ভোগের জন্য দায়ী কে।কোন পক্ষ জনগনকে বোকা বানানোর কাজে লেগে অর্থলোপাট করছে।তেলের সিন্ডিকেট নাকি সরকার আমাদের আমাদের কে ধোকা দিচ্ছে এমনটাই কুষ্টিয়া সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে। এবং তারা কুষ্টিয়া জেল প্রশাসক ও ভোক্তা অধিকার এর দৃষ্টি আর্কশন করেছেন আমাদের দেশের বহুল প্রচারিত গণমাধ্যমের বিবিসি ক্রাইম নিউজের মাধ্যমে। এবং অনুরোধ করেছে আমাদের সংবাদপত্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ আশা করছেন এমনটা স্থানীয় সাধারণ জনতা আমাদের কে জানিয়েছেন।
