ঢাকা, বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬ ()

এম এ শামীম আরজু ছিলেন খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত ভ্যানগাড ও সিপাহসালার

কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,শহর বিএনপি’র সভাপতি, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ মরহুম এম এ শামীম আরজু ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড ও সিপাহসালার।শহীদ মরহুম এম এস শামিম আরজু ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আআস্থাভাজন।তৃণমূল থেকে রাজনীতিতে তার হাতেখড়ি জনপ্রিয়তার দিক থেকে তিনি ছিলেন সবার উপরে।বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ব্যক্তিগত ভাবে শামীম আরজু কে পছন্দ করতেন স্নেহ করতেন।স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সারা বাংলাদেশের জনগণের মেন্ডেড নিয়ে সরকার গঠন করে,সেই সময় এমএস আমি মারজু দীর্ঘ ১০ বছর শহর বিএনপি’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।ক্ষমতার সর্বোচ্চ টা দেখেছিলেন তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তাকে যথেষ্ট স্নেহ করতেন তারপরও অর্থের প্রতি তার কোন লোভ ছিল না।টেন্ডার বালিরঘাট হাটবাজার কোন কিছুই তাকে ছুঁতে পারে নাই তিনি ছিলেন নেহায়াত বিএনপি’র একজন কর্মী যার সংস্পর্শে এসে অনেকেই নেতা হয়েছেন কিন্তু তার আদর্শ পাননি।শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে তিনি কখনো বিচ্যুত হননি।দলকে ভালোবেসেছেন,দলের নেতাকর্মীদের একত্রিত করে রেখেছেন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার কোন বাড়ি ছিল না গাড়ি ছিলনা সহায়-সম্পত্তীয় ছিল না পরিবারের জন্য সে তেমন কিছুই রেখে যান নাই।তিনি ছিলেন কুষ্টিয়া জাতীয়তাবাদী শক্তির এক সিংহপুরুষ।এখন যারা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত উদিয়মান নেতা তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শামিম আরজুর শিষ্য,স্বামীমার জোর হাতেই আমাদের রাজনীতির হাতে খড়ি। গত দীর্ঘ স্বৈরাশাসন আমলে কুষ্টিয়া দেখেছিল এক নির্মমতা।২০১৯ সালের ২৬ শে মার্চ কুষ্টিয়ার ডিসিকোর্ট চত্বরে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যেয়ে তৎকালীন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন এবং জেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এম এ শামীম আরজু সহ দশ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয় স্বৈরাশাসকের দোসর কুষ্টিয়ার এমপি মাহবুবুল আলম হানিফ ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান নির্দেশনায় তৎকালীন এসপি সদর থানার ওসিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের নির্দেশনা প্রদান করেন।বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়তো এটাই প্রথম এবং এটাই শেষ যে ২৬ শে মার্চে শহীদ বেদীতে সম্মান প্রদর্শন করার অপরাধে তৎকালীন জেলা বিএনপির সকল সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করা হয়।তৎকালীন আওয়ামী সরকারের দোসররা বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর এমনভাবে হামলা চালায় তাতে মনে হচ্ছিল তাদের গ্রেফতার এর উদ্দেশ্যই ছিল হত্যা করা।তৎকালীন কুষ্টিয়াতে কর্মরত এক হিন্দু এসআই শামীম আরজুকে মারমূখি অবস্থায় টেনে হিচড়ে গাড়িতে তোলেন।আওয়ামী আদালত তাদের জামিন বাতিল করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করে।জেল হাজতে শামিম আরজুর উপরে চলে অমানবিক নির্যাতন যা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ১১ই এপ্রিল ২০১৯ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তৎকালীন জেল সুপার অন্যান্য কারাবন্দিদের তোপের মুখে চিকিৎসার জন্য এম এ শামীম আরজু কে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন কিন্তু জেল ডাক্তার ও তৎকালীন আরএমও তাপস কুমার পাল ও সে সময় হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার বাপ্পি হানিফ আতার নির্দেশে শামীম আরজুকে চিকিৎসা না দিয়ে আবার জেল হাজতে প্রেরণ করেন কিন্তু জেলখানায় যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে তার সঠিক চিকিৎসার দায়িত্ব বর্তায় আরএমও ও যে ডাক্তার সে সময় দায়িত্বে থাকে।তাপস ও বাপ্পি তাদের দায়িত্ব পালন না করে হানিফাতার নির্দেশে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করার ২০ মিনিটের মধ্যে শামিম আরজু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।এটা ছিল আওয়ামী দোসরদের একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড যার বিচারের আশা এখনো ছাড়েনি কুষ্টিয়াবাসী ও তার পরিবার।প্রাচিসদের আমলে মামলা করার কোন সুযোগ ছিল না কিন্তু গত ৫ তারিখের পরে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হলে কিছু বিএনপি নেতা শামীম আরজু হত্যা মামলা নিয়েও বাণিজ্য করেন।বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তার পরিবারকে মামলা করা থেকে বিরত রাখে লাখ লাখ টাকা টাকার বানিজ্ঞ করে।৫ তারিখের পরে তৎকালীন আরএমও কুষ্টিয়া থেকে পালিয়ে গিয়েছিল কিন্তু পরে কিছু বিএনপি নেতার সাথে আঁতাতের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে হাসপাতালের টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে কুষ্টিয়ারা সদর হাসপাতালে অফিস করার সুযোগ পান।কতিপয় বিএনপি নেতারা তাদের নেতা শহীদ মরহুম এম এ শামীম আরজুর হত্যা মামলা নিয়ে বাণিজ্যে লিপ্ত হন যার কারণে কোন না কোন বাধার মুখে এখনো তার পরিবার মামলাটি করতে পারেনি।সম্প্রতি সময় জানা যায় এম এ শামীম আরজু হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে তার পরিবারের পক্ষ থেকে।শামীম আরজু হত্যার বিচার কি পারেনা তার পরিবার.. ?


     এই বিভাগের আরো খবর