ঢাকা, শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet দামুড়হুদায় সার সিন্ডিকেটে প্রশাসনের কঠোর আঘাত: ১৫০০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ Headline Bullet পুজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে দেখেন অর্ধকোটি টাকাসহ স্বর্নলংকার চুরি Headline Bullet বিয়ের তিন সপ্তাহের মাথায় স্ত্রীর পলায়ন Headline Bullet প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারনা Headline Bullet দামুড়হুদায় টহলরত পুলিশকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা: ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মারুফ গ্রেপ্তার Headline Bullet কোটচাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত নারী আসামি গ্রেফতার Headline Bullet মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় ৩০ প্যাকেট কীটনাশক উদ্ধার Headline Bullet ভারতের দিনে দুপুরে মাথা থেতলে বন্ধুকে হত্যা Headline Bullet মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দুই বাংলাদেশি আটক Headline Bullet মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দর্শনা ডিলাক্স বাস খাদੇ পড਼ে নিহত ৩, চুয়াডাঙ্গার সুপারভাইজার রঞ্জু আর নেই!​

বিয়ের তিন সপ্তাহের মাথায় স্ত্রীর পলায়ন

Oplus_131072

বিয়ের মাত্র ২৩ দিন পার হয়েছে। এরই মধ্যে স্ত্রীকে হারানোর অভিযোগ তুলে থানায় মামলা করেছেন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বিএনপি নেতা সুজন মিয়া। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের পর স্ত্রী সুমি আক্তারকে স্বর্ণালংকারসহ নিয়ে গেছেন তাঁর কথিত মামা এমদাদুল হক অরচন। এ ঘটনায় করা মামলায় অরচন ও সুমি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে জামালপুর পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে এমদাদুল হক অরচনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমি আক্তারকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিন দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার এমদাদুল হক অরচনের বয়স ৪৫ বছর। তিনি মেলান্দহ উপজেলার শাহজাদপুর এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। পেশায় তিনি মেলান্দহ পৌরসভার বর্জ্যবাহী গাড়ির চালক। অন্যদিকে সুমি আক্তারের বয়স ২৭ বছর। তিনি একই উপজেলার কামদেববাড়ী এলাকার শাহিন মন্ডলের মেয়ে। অভিযোগকারী সুজন মিয়া দক্ষিণ ঝাউগড়া এলাকার মৃত ময়ুর আলীর ছেলে। তিনি ঝাউগড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সুমি আক্তারের সঙ্গে রেজিস্ট্রি কাবিনমূলে বিয়ে হয় সুজন মিয়ার। বিয়ের সময় স্ত্রীকে দুটি স্বর্ণের আংটি, একটি চেইন, এক জোড়া বালা ও এক জোড়া কানের দুলসহ বিভিন্ন স্বর্ণালংকার দেন তিনি। এজাহারে এসব অলংকারের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে সুজন মিয়ার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সুমির কথিত মামা অরচন তাঁকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে আসছিলেন। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় সুজন বাড়িতে না থাকার সুযোগে তাঁদের বাড়িতে যান অরচন। এ সময় সুমিকে তাঁর বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। সুজনের মা ছেলের বাড়ি ফেরার পর সুমিকে যেতে বললেও তিনি অরচনের সঙ্গে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন সুজন। ওই রাতে সুমির মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পান তিনি। পরদিন ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়েও সুমির সন্ধান পাননি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অরচনের সঙ্গে সুমি চলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন সুজন। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।


     এই বিভাগের আরো খবর