ঢাকা, রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet দামুড়হুদায় সার সিন্ডিকেটে প্রশাসনের কঠোর আঘাত: ১৫০০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ Headline Bullet পুজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে দেখেন অর্ধকোটি টাকাসহ স্বর্নলংকার চুরি Headline Bullet বিয়ের তিন সপ্তাহের মাথায় স্ত্রীর পলায়ন Headline Bullet প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারনা Headline Bullet দামুড়হুদায় টহলরত পুলিশকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা: ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মারুফ গ্রেপ্তার Headline Bullet কোটচাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত নারী আসামি গ্রেফতার Headline Bullet মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় ৩০ প্যাকেট কীটনাশক উদ্ধার Headline Bullet ভারতের দিনে দুপুরে মাথা থেতলে বন্ধুকে হত্যা Headline Bullet মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দুই বাংলাদেশি আটক Headline Bullet মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দর্শনা ডিলাক্স বাস খাদੇ পড਼ে নিহত ৩, চুয়াডাঙ্গার সুপারভাইজার রঞ্জু আর নেই!​

নরেন্দ্র নন-‘সারেন্ডার মোদী’! লাদাখ নিয়ে আরও কড়া রাহুল

bbccrimenews:-ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে বড় করে খবর ছাপা হচ্ছে বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলিতেও। ‘জাপান টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদনে ভারতের বিদেশনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর চিন নীতিকে 

 লাদাখ নিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে কার্যত তুলোধনা করছেন রাহুল গান্ধী। রবিবার সেই সুর আরও চড়ালেন তিনি। জাপানের সংবাদপত্রের একটি শিরোনাম ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীকে ‘সারেন্ডার মোদী’ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। তবে, সারেন্ডার বানান ভুল করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসিরও খোরাক হয়েছেন রাহুল। কংগ্রেস শীর্ষ নেতার এই আক্রমণের পরই অবশ্য আসরে নেমে বিজেপি দাবি করেছে, ক্ষমা চাইতে হবে রাহুলকে।

গলওয়ান ভ্যালি নিয়ে শুরু থেকেই মোদীকে নিশানা করেছেন রাহুল। ট্যুইটে প্রথমে তিনি লিখেছিলেন, ‘এটা কাচের মতো স্বচ্ছ যে, গলওয়ানে চিনা হামলা পূর্ব পরিকল্পিত, ভারত সরকার প্রথমে ঘুমিয়ে ছিল এবং সমস্যার কথা অস্বীকার করেছিল। আর ভারত সরকারের সেই মনোভাবের মূল্যই চোকাতে হয়েছে শহিদ জওয়ানদের।’

রাহুলের এহেন ট্যুইট অবশ্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি উদ্ধৃতি ব্যবহার করেই করা। যেখানে লাদাখ হামলারে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ‘ভারতের ভূখণ্ডে কেউ(চিন) প্রবেশ করেনি। আমাদের কোনও সেনা চৌকিও কেউ (চিন) দখল করেনি।’ মোদীর সেই মন্তব্য নিয়ে অবশ্য সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা।

ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে বড় করে খবর ছাপা হচ্ছে বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলিতেও। ‘জাপান টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদনে ভারতের বিদেশনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর চিন নীতিকে কাঠগড়ায় তুলে ওই প্রতিবেদন লেখা হয়েছে, চিন সরকারকে তুষ্ট করে চলার চেষ্টা করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই প্রতিবেদনটিই ট্যুইটারে তুলে দিয়ে মোদীকে ‘সারেন্ডার মোদী’ বলে কটাক্ষ করেন রাহুল। পালটা হিসেবে বিজেপি নেতা শাহনাওয়াজ হুসেইন বলেন, ‘গোটা দেশ যখন ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তখন রাহুল গান্ধী চিনের ভাষায় কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেছেন রাহুল। তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে।’

ঠিক কী ঘটেছিল লাদাখে? এই অবস্থান স্পষ্ট করতেই শুক্রবার সর্বদল বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু সেখানেই তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে এখন বিভ্রান্তি ও তুঙ্গে ওঠা বিতর্ক। সুযোগ বুঝে মোদীর মন্তব্যকে অস্ত্র করে আসরে নেমে পড়েছে চিনও। পরিস্থিতির ঠেলায় শনিবার দফায় দফায় টুইট করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে হল তাঁর দফতরকেই।

শুক্রবারের সর্বদল বৈঠকের একেবারে শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘না আমাদের ভূখণ্ডে কেউ ঢুকেছে, না কেউ আমাদের জমি দখল করে আছে। আমাদের কোনও সেনা-চৌকিও কেউ দখল করেনি।’ চিনা সেনার হাতে দেশের কুড়ি জন জওয়ানের নৃশংস মৃত্যুর পর যখন গোটা দেশ ক্ষোভে ফুঁসছে, তখন মোদীর এমন মন্তব্যে আলোড়ন পড়ে যায়। বিরোধী নেতা থেকে সামরিক বিশেষজ্ঞ— অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, দেশে চিনা সেনার অনুপ্রবেশ না ঘটলে গলওয়ান উপত্যকায় ২০ জন সেনা শহিদ হলেন কী ভাবে? সেটা তো ভারতের এলাকা! বিশেষত যেখানে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রক উভয়েই জানিয়েছে, চিনা অনুপ্রবেশের কারণেই সোমবার রাতে ওই সংঘাত হয়েছিল। ভারতীয় সেনা কখনওই নিজের সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে যায়নি। ঠিক যেমনটা বেজিংও শুরু থেকে দাবি করে আসছে।

এই বিতর্কের মধ্যেই মোদীর মন্তব্যকে লুফে নিয়ে আসরে নেমে পড়ে চিন। সর্বদল বৈঠক শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দীর্ঘ বিবৃতি জারি করে চিনের বিদেশ মন্ত্রক। তাতে লেখা হয়, ‘গলওয়ান উপত্যকা চিনেরই অংশ। চিনা সেনা নিজেদের এলাকাতেই ছিল।’ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান তাঁদের বিবৃতিতে বিবাদের ‘ঘটনাক্রম’ বর্ণনা করার ঢঙে লেখেন, ‘দীর্ঘদিন চিন ওই এলাকায় টহল দিচ্ছে। গত এপ্রিলে ভারত এখানে রাস্তা, সেতু তৈরি করে।’ সোমবার ভারতীয় সেনা তাদের এলাকায় ঢুকে পড়ার কারণেই ঝামেলা হয় বলে ফের দাবি বেজিংয়ের।


     এই বিভাগের আরো খবর