ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬ ()

চুয়াডাঙ্গায় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গা শহরের আরামপাড়া এলাকায় পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক এবং অন্যদিকে একটি বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত মূল সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত রবিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একাধিক টিম পৃথক অভিযানে এসব উদ্ধার ও আটক কার্যক্রম চালায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের মাছপট্টি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে সন্দেহজনক গতিবিধির সময় আরামপাড়ার বাসিন্দা মৃত আলী জাফরের ছেলে অপু মণ্ডলকে (৩৫) আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে চারটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপু মণ্ডল স্বীকার করেন, তিনি স্থানীয় আমিরুল ইসলাম বাপ্পির (৩৬) কাছ থেকে পাইকারি দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে খুচরা বিক্রি করতেন। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত পরবর্তী অভিযান পরিচালনা করে। রাত প্রায় পৌনে ১১টার দিকে পুলিশ আরামপাড়ায় বাপ্পির বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাপ্পি বাড়ির পেছনের দিক দিয়ে পালিয়ে যান। এরপর তার বসতঘর তল্লাশি করে বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দুটি লোহার তরবারি, দুটি ধারালো ছোরা, দুটি কুড়াল এবং দুটি চাপাতি। এসব অস্ত্র ঘরের ভেতরে তোশকের নিচে ও আশপাশে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। পলাতক বাপ্পি চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার আরামপাড়ার মৃত মনোয়ার হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এবং অস্ত্র আইনের আওতায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদক মামলায় আটক অপু মণ্ডলকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া দেশীয় অস্ত্র রাখার দায়ে পলাতক আমিরুল ইসলাম বাপ্পিকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক অপু মণ্ডল এবং পলাতক বাপ্পির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।


     এই বিভাগের আরো খবর