ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet কুষ্টিয়ায় উচ্চ সুদের ফাঁদে ফেলে সর্বস্বান্ত করার অভিযোগে আলোচিত পোড়াদহ এলাকার সুদ ব্যবসায়ী মো. নুর আলম ওরফে ইকবাল গ্রেফতার Headline Bullet কুষ্টিয়ার থেকে মেহেরপুরে গরু কিনতে গিয়ে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে Headline Bullet মির্জ্জা আব্বাসের শারিরীক খোঁজ নিলেন গোলাম পরোয়ার Headline Bullet কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের অন্যতম নেতা ও বিবিসি ক্রাইম নিউজ এর প্রকাশক ও সম্পাদক এস এম ফুয়াদ শামীম এর ভাগনীর ইউ এস এ তে আসামান্য সফলতা অর্জন Headline Bullet কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের অন্যতম নেতা ও বিবিসি ক্রাইম নিউজ এর প্রকাশক ও সম্পাদক এস এম ফুয়াদ শামীম এর ভাগনীর ইউ এস এ তে আসামান্য সাফল্যতা অর্জন Headline Bullet মাদারীপুরে একই পরিবারের ৩ জনের লাশ উদ্ধার Headline Bullet বিকাশ ব্যবসায়ীর পাওনা ৫০ হাজার ফেরত দিয়ে ঘটনাস্থলেই ছিনতাই এবং হত্যারহস্য উদঘাটন করলো পিবিআইবিকাশ ব্যবসায়ীর পাওনা ৫০ হাজার ফেরত দিয়ে ঘটনাস্থলেই ছিনতাই এবং হত্যা Headline Bullet সুদের টাকার জন্য ভাতিজাকে অপহরণ Headline Bullet সেলিনা হায়াৎ আইভির কারামুক্তিতে বাঁধা নেই Headline Bullet দর্শনায় অনলাইন জুয়ার সরঞ্জামসহ আটক৩

কুষ্টিয়ায় উচ্চ সুদের ফাঁদে ফেলে সর্বস্বান্ত করার অভিযোগে আলোচিত পোড়াদহ এলাকার সুদ ব্যবসায়ী মো. নুর আলম ওরফে ইকবাল গ্রেফতার

Oplus_131072

কুষ্টিয়ায় শতাধিক পরিবারকে উচ্চ সুদের ফাঁদে ফেলে সর্বস্বান্ত করার অভিযোগে আলোচিত পোড়াদহ এলাকার সুদ ব্যবসায়ী মো. নুর আলম ওরফে ইকবাল শেঠ (৪৫) ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
সোমবার (১৮ মে) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের চিথলিয়া ময়নাগাড়ি এলাকায় তার নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ইকবাল শেঠ ওই এলাকার মৃত কাইয়ুম শেঠের ছেলে।
কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই রকিব উদ্দিন জনির নেতৃত্বে এসআই আলহাজ আলী, কনস্টেবল ইমরান, কনস্টেবল সোহেলসহ সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে। ডিবি পুলিশের তথ্যমতে, তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই ইকবাল শেঠকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে মিরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীরা মিরপুর থানায় যোগাযোগ করলে আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
উল্লেখ্য, নুর আলম ওরফে ইকবাল শেঠ একসময় রড ও সিমেন্টের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তার একটি দোকান থাকলেও সেখানে কোনো মালামাল নেই। গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি সুদের ভিত্তিতে অর্থ লেনদেনের ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দোকানটি বর্তমানে সুদ ব্যবসার অফিস হিসেবে পরিচিত।
অভিযোগ রয়েছে, ইকবাল শেঠের সুদের ব্যবসার কারণে শতাধিক ব্যক্তি হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং একাধিক মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। তার কাছ থেকে টাকা নিতে হলে আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিতদের মধ্য থেকে অন্তত দুইজন জামিনদার রাখতে হয়। পাশাপাশি ঋণগ্রহীতার বাবা, মা বা স্ত্রীকেও জামিনদার হিসেবে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়। এছাড়া জামিনদারদের স্বাক্ষর করা একাধিক ফাঁকা চেক এবং ঋণগ্রহীতা ও তার বাবা-মা বা স্ত্রীর স্বাক্ষরিত চেক জমা রাখতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে জামিনদারের সংখ্যা ও চেকের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এরপর নির্ধারিত শর্তে সুদের টাকা প্রদান করা হতো। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতি লাখ টাকায় সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা সুদ নেওয়া হতো। কিস্তি পরিশোধে বিলম্ব হলে ভুক্তভোগীদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হতো। আরও অভিযোগ রয়েছে, টাকা আদায়ে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগীদের তুলে নিয়ে গিয়ে টর্চার সেলে শারীরিক নির্যাতন করা হতো। পরবর্তীতে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হতো বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


     এই বিভাগের আরো খবর