আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এবারের জামাতের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই সঙ্গে এখানে নামাজ আদায় করবেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম ঈদুল ফিতর। এই ঈদ জামাত আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের সদয় সম্মতি জানিয়েছেন। ফলে সাধারণ মুসল্লিরা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই জামাতে নামাজ আদায়ের বিরল সুযোগ পাবেন।’
দেশবাসীকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সঠিক নির্দেশনায় এবারের ঈদযাত্রা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হয়েছে। নৌ, রেল ও সড়কপথে মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।পরিদর্শন শেষে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতি ও সুবিধা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, ঈদগাহ ময়দানে ৩ হাজার ৫০০ নারীসহ মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, অজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা থাকছে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত অজুখানাসহ মুসল্লিদের জন্য মেডিক্যাল টিমের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আবদুস সালাম জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবেশের সময় গেট সীমিত থাকবে। তবে নামাজ শেষে দ্রুত প্রস্থানের জন্য সব গেট খুলে দেওয়া হবে।
আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।
ডিএসসিসির প্রশাসক মুসল্লিদের নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে ঈদগাহে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান। আয়োজন সফল করতে নগরবাসীসহ গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।