পৃথিবীতে একজন মানুষের সাফল্যের পেছনে কত রাতের নির্ঘুম পরিশ্রম, কত অপমান, কত ত্যাগ আর কত নীরব কান্না লুকিয়ে থাকে—তা সবাই দেখে না।কিন্তু তার অবস্থানটা সবাই দেখে।আর দুঃখের বিষয়, কেউ কেউ তখন ভাবতে শুরু করে—“কীভাবে তাকে নিচে নামানো যায়?”আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি—একজন মানুষকে নিচে নামাতে যে শক্তি ব্যয় করি,সেই শক্তিটুকু যদি তাকে আরেক ধাপ ওপরে তুলতে ব্যবহার করতাম,তাহলে সমাজটা কত সুন্দর হতো!মানুষ মানুষের জন্য—এ কথাটা আজ যেন কেবল বইয়ের পাতায়।বাস্তবে আমরা একে অপরের প্রতিযোগী নই,বরং একে অপরের সহযাত্রী।একই পোশাক, একই সাফল্য, একই সম্মান—এসব দেখে হিংসা নয়, অনুপ্রেরণা হওয়া উচিত।কারণ আল্লাহ যাকে যা দিয়েছেন, তা তাঁর হিকমতের অংশ।অন্যের রিজিক, সম্মান বা অবস্থান কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেকখনও নিজের ভাগ্য উজ্জ্বল হয় না।আমরা চাইলে খুব সহজেই একটি শান্তিপ্রিয় সমাজ গড়তে পারি—একটু সদিচ্ছা, একটু সহানুভূতি, আর একটু দোয়া দিয়েই।চলুন,কারও পতনের কারণ না হয়েকারও উন্নতির সিঁড়ি হই।কারও সমালোচক না হয়েকারও প্রেরণা হই।কারও চোখের কাঁটা না হয়েকারও হৃদয়ের দোয়া হই।হয়তো তখনই আল্লাহ আমাদের জীবনেও এমন মানুষ পাঠাবেন,যারা আমাদের টেনে নিচে নামাবে না,বরং হাত ধরে উপরে উঠাবে।মানুষ মানুষের জন্য—এই সত্যটা আবার নতুন করে হৃদয়ে লিখি।আল্লাহতালা আমাদের হেদায়েত দান করুণ।
বাণীতে চমৎকার, চলাফেরাই জমিদারী ভাব ব্যবহার অত্যন্ত রুক্ষ।তিনি নিজে ছাড়া অন্য কাউকে মানুষ বলে মনে করেন না। আওয়ামী লীগের দোষর তৎকালীন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা এখনো তার ব্যবসায়িক পার্টনার।গোপনে প্রতিমাসে আতাউর রহমান আতার নিকট টাকা পৌঁছে যায়। তিনি কাকে ছেড়ে কাকে ধরেন সেটাই এক রহস্য।ক্ষমতাধরদের প্রয়োজন সিঁড়ি বানিয়ে উপরে উঠতে কোন ত্যাগ তিতিক্ষার প্রয়োজন হয় না। হ্যাঁ নির্ঘুম রাত কাটতেই পারে আপনার মতম ছলচাতুরি করে রক্তচোষার মত সাধারণ মানুষের টাকা চুষে নিয়ে শিক্ষার নামে বাণিজ্য করে কোটিপতি হওয়া যায় কিন্তু শান্তিতে ঘুমানো যায় না।আপনি যে শিক্ষার নামে একটি আবাসিক প্রতিষ্ঠান চালান যত অর্থ নেন তার বিনিময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর নির্যাতন চালানো হয়।আপনি শান্তিপ্রিয় সমাজ করতে চান তাহলে আপনার হকিস্টিক বাহিনী চালাবে কে।আপনাকে টেনে নিতে নামানোর কিছু নেই সমাজের চোখে আপনাকে উঁচুতে দেখা গেলেও আপনি একজন নিচু শ্রেনীর মানুষ।আপনি উপরে উঠেছেন স্বৈরাচারের দোসর হানিফ এবং আতার হাত ধরে এখনো তারা আপনার ব্যবসায়িক পার্টনার। আপনি কোথায় কোথায় কোথায় মাসোহারা প্রদান করেন তার লিস্ট কিন্তু মোটামুটি লম্বা।রিজিকের মালিক আল্লাহ কিন্তু মানুষের রক্ত চোষা টাকার রিজিক গ্রহণকারীকে কি আল্লাহ সম্মান প্রদর্শন করেন।আপনি নিজে বদলান বদলান আপনার প্রতিষ্ঠানের গতিপথ তখন দেখবেন রাত আর নির্ঘুম কাটবে না পরম শান্তিতে ঘুমাবেন।আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুণ।